খেলাধুলা

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্ল্যাক ক্যাপদের হারিয়ে ২-০তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ

টম লাথামের অধিনায়কোচিত অর্ধশতকে ভর করে ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে টিকে ছিল নিউজিল্যান্ড। ২০তম ওভারে মোস্তাফিজের নো বলে কিউইদের জয়টাই সম্ভাব্য ফলাফল মনে হচ্ছিল। তবে খুব কাছে গিয়েও তা পাওয়া হলো না তাদের। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্ল্যাক ক্যাপদের ৪ রানে হারিয়ে ৫ ম্যাচ সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

প্রথম ম্যাচের ব্যাটিং বিপর্যয় ভুলে এদিন ভালো শুরু করে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংস শেষে টাইগারদের ১৪১ রানের পুঁজিকে যথেষ্ট মনে হলেও এদিন সাইফউদ্দিন-মোস্তাফিজদের ঘাম ঝরিয়ে ছেড়েছে কিউইরা। যদিও দলীয় ১৬ রানেই প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন সাকিব। 

রাচিন রবীন্দ্রকে সাকিব ফেরানোর পর টম ব্লান্ডেলকে ফেরান মাহেদি। দলীয় ১৮ রানে ২ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরায় টম লাথাম-উইল ইয়ং জুটি। এই দুজনের জুটিতে ৪৩ রান তুলে জয়ের আভাস দেয় সফরকারী দলটি। যদিও ২২ রান করা ইয়ংকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান সাকিব।

তবে এক লাথাম বাদে বাকিদের ব্যর্থতায় পরাজিত দল হিসেবেই ম্যাচ শেষ করতে হয় নিউজিল্যান্ডকে। কিউই অধিনায়ক অপরাজিত ছিলেন ৪৯ বলে ৬৭ রান করে। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট পেয়েছেন সাকিব ও মাহেদি হাসান। তবে এদিন বল হাতে খরুচে ছিলেন সাইফউদ্দিন। ৪ ওভারে ৩৬ রান খরচায় উইকেটশূন্য ছিলেন এই অলরাউন্ডার।  

এর আগে টসে জিতে নাঈম-লিটনের ৫৯ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরুর করে বাংলাদেশ। যদিও বা মাঝের ওভারগুলোতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে সেই শুরুর ছন্দপতন ঘটেছিল। এরপর শেষের দিকে অধিনায়ক মাহামুদউল্লাহর ৩২ বলে ৩৭ রানের দ্রুতগতির ইনিংসে ২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ১৪১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। আর শেরে বাংলার মন্থর উইকেটে এই রানই জয়ের জন্য যথেষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছিল। 

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান এসেছে নাঈমের ব্যাট থেকে। ৩ বাউন্ডারিতে খেলা এই ইনিংসে অবশ্য বল লেগেছে সমান সংখ্যক। এছাড়া ২৯ বলে ৩৩ রান করেছেন আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাস। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটা এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। এছাড়া শেষের দিকে ৮ বলে ১৩ রানের ইনিংস খেলেছেন নুরুল হাসান। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন রচিন রবিন্দ্র। ৪ ওভারে খরচ করেছেন ২২ রান।

স্কোরবোর্ড

নিউজিল্যান্ড ১৩৭/৫ (২০ ওভার) 

বাংলাদেশ ১৪১/৬ (২০ ওভার)

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button