জাতীয়প্রধান খবর

বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

প্রতিষ্ঠার তেতাল্লিশ বছরে বিএনপি। ১৯৭৮ সালের এ দিনে ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

দুর্নীতি মামলায় দলীয় প্রধানের সাজা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিদেশে আশ্রয়সহ নানা কারণে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমানে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।

দলের নেতারা বলছেন, এমন এক সময়ে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে, যখন করোনা মহামারি সারা বিশ্বকে গ্রাস করে ফেলেছে। শর্ত সাপেক্ষ মুক্ত হলেও রাজনীতির বাইরে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফলে খুব সাদামাটাভাবে পালিত হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেন, বিএনপি দেশ ও মানুষের উন্নয়ন এবং বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান দুঃসময়ে জনগণকে সংগঠিত করার কোনো বিকল্প নেই। দেশ আজ দুঃশাসন কবলিত। তার ওপর করোনা মহামারির আক্রমণে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে দিনাতিপাত করছে দেশের মানুষ। গুম-খুনের আতঙ্ক মানুষের নিত্য সঙ্গী। আইন, বিচার, প্রশাসনকে সরকার কব্জার মধ্যে রাখার চেষ্টায় মরিয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে সমাজে দেখা দিয়েছে বিপজ্জনক বিশৃঙ্খলা। সুতরাং জনগণের নিরাপত্তা বিধানের জন্যই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা একেবারে ধ্বংস করেছে, এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতির বর্তমান অবস্থার জন্য এককভাবে দায়ী ক্ষমতাসীনরা। 

আগামী দিনের বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে গুছিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলেও জানান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। এ দিন সকাল ৬টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, বেলা ১১টায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। দুপুর ১২টা থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং কেন্দ্রীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে কবরে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, হেল্প ক্যাম্প ও করোনা রোগীদের সহায়তা প্রদান, দেশব্যাপী পোস্টার এবং ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।  

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button