খেলাধুলাপ্রধান খবর

কিউইদের সাথে প্রথম ম্যাচ হেসেখেলেই জিতলো টাইগাররা

বল হাতে আসল কাজটা করে রেখেছিলেন সাকিব-মোস্তাফিজরা। তবে লো-স্কোরিং ম্যাচে বাকি কাজটুকু করতে হিমশিম খেয়েছেন নাঈম-লিটনরা। যদিও শেষ পর্যন্ত হেসেখেলেই জয় ধরা দিয়েছে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে ৫ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল মাহমুদউল্লাহ বাহিনী।

নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ৬১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই ফিরে যান দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও লিটন দাস। পরে খেলা ধরেন অভিজ্ঞ সাকিব ও মুশফিকুর রহিম। তাতে জয়ের পথে এগিয়ে যায় টাইগাররা। তবে হঠাৎ ছন্দপতন। ব্যক্তিগত ২৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাকিব।

তবে জয় তখন হাতছোঁয়া দূরত্বে। এ পরিস্থিতিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন মুশফিক। এরই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জয়ের দেখা পায় বাংলাদেশ। ৫ ওভার বাকি থাকতেই এ জয় নিশ্চিত করেন স্বাগতিকরা। মুশফিক ১৬ ও মাহমুদউল্লাহ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে এজাজ প্যাটেল, রাচিন রবীন্দ্র নেন ১টি করে উইকেট।

বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ ও সাকিব আল হাসানের স্পিনে নীল হয় তারা। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৯ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে কিউইরা। এখান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন টম লাথাম ও হেনরি নিকোলস।

তবে তাতে বাদ সাধেন টাইগার পেসাররা। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমানের পেস আর কাটারে কাবু হয় নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানরা। শেষ পর্যন্ত ১৬.৫ ওভারে ৬০ রানে গুটিয়ে যায় তারা। যা টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড তাদের। এর আগে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৮ রান করে করেন লাথাম ও নিকোলস। দলীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রানের জুটিও দুজনেরই। এ ছাড়া আর কোনো ব্ল্যাক ক্যাপ ব্যাটারই দুই অংকের কোটায় পৌঁছতে পারেননি।

বাংলাদেশের মোস্তাফিজ ঝুলিতে ভরেন ৩ উইকেট। আর ২টি করে শিকার করেন নাসুম, সাকিব ও সাইফ।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button