বিনোদন

আমি পাগল হয়ে যাবো: পরীমণি

জামিন আবেদন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজ আইনজীবীদের চিত্রনায়িকা পরীমণি বলেছেন, কারাগারে তার কষ্ট হচ্ছে। এমনকি তিনি পাগল হয়ে যেতে পারেন।

তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে মাদক মামলায় শনিবার পরীমণিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে তোলা হয়।

পরীমণি জামিনের জন্য নতুন কোনো আবেদন ছিল না।

তাকে যেন আদালতে তোলা হয় এবং তার উপস্থিতিতে শুনানি করা হয়, সেই আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মজিবুর রহমান বলেন, ‘পরীমণি অসুস্থ রয়েছে। তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয় না। কোনো আইনজীবীর সঙ্গে তাকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। আমরা মামলার বিষয়ে আসামির সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। ’

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু এ সময় বলেন, ‘আসামির সঙ্গে দেখা করতে দেওয়ার বিষয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। ’

এ সময় বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কী কথা বলতে চান?’

মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা আইনগত বিষয়ে কথা বলতে চাই। প্রয়োজনে আপনি সিএমএম হাজতখানায় কথা বলার সুযোগ করে দেন। ’

এরপর বিচারক নথি পর্যালোচনায় আদেশ দেবেন বলে জানান।আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।

বিচারক এজলাসকক্ষ ত্যাগ করার পর পরীমণির কাছে যান তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত। তখন তাকে দেখে পরীমণি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আইনজীবীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘কেন আমার জামিন আবেদন করলেন না। আমি তো পাগল হয়ে যাবো। ’

পরীমণি বলেন, ‘আপনারা জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? আপনারা বুঝতেছেন, আমার কী কষ্ট হচ্ছে?’

শুনানি শেষে পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘পরীমণিকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা বারবার বলছি, পরীমণি অসুস্থ। শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরীমণি আমাকে বলেছেন, তিনি পাগল হয়ে যাবেন। ’

গত ৪ আগস্ট ‘বিপুল মাদক’সহ বনানীর বাসা থেকে পরীমণিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট পরীমণির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হয়।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button