আন্তর্জাতিক খবরপ্রধান খবর

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মামলা

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। চট্টগ্রাম-১১ পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য তিনি।

অভিযোগ, সামসুল হক চৌধুরী ও তার পুত্র চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন মিডিয়া দৈনিক কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি সান, বাংলানিউজ২৪.কম এবং টিভি চ্যানেল নিউজ ২৪ এর অব্যাহতভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক কুরুচিপূ্ররণ, বিদ্বেষপ্রসূত এবং মালিকের নির্দেশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগে ১৮ আগস্ট বুধবার পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য মানহানি মামলা দায়ের করেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি।

মামলার বিবাদীরা হলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহআলম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সান সম্পাদক ইনামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের রিপোর্টার সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার, কালের কণ্ঠের এস এম রানা, মোহাম্মদ সেলিম, এবং বাংলানিউজের সম্পাদক।

হুইপের পক্ষে এ মামলা রুজু করেন পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার পুত্র সায়েম সোবহান আনভীর ব্যক্তিগত আক্রোশে ও শত্রুতামূলকভাবে বাদি ও তার পুত্র নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আসছে।

আর্জিতে আরও বলা হয়, বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা, অনলাইন ও টিভিতে ১০০ টির অধিক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর সামাজিক রাজনৈতিক সম্মানহানি করেন যাতে উনার শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

হুইপের পক্ষের আইনজীবী ও পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল বলেন, বিজ্ঞ আদালত মামলাটি রেকর্ড করার পর আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর শুনানি দিন ধার্য করা হয়েছে। ওইদিন আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন।

শারুন চৌধুরীও তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানান যে, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রত্যেক মানুষেরই কিংবা গণমাধ্যমের একটি সহজাত অধিকার। কিন্তু এই মত প্রকাশ যখন হয় পত্রিকা মালিকের নিজস্ব ক্ষোভের প্রতিফলন এবং অন্যকে হেয় করবার বিশেষ মাধ্যম তখন আর সেটি মত প্রকাশ হিসেবে থাকে না। তখন এটি হয়ে ওঠে বিদ্বেষপূর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়ন।’

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button