অন্যান্য

পুরুষের চেয়ে নারীদের বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়েছে

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস-২০২০’ এর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনটি ‘মনিটরিং দ্যা সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস অব বাংলাদেশ (এমএসভিএসবি) (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা হয়।

প্রতিবেদনটি তৈরি করার জন্য দুই হাজার ১২টি নমুনা এলাকার তিন লাখ এক হাজার ১৩১টি পরিবার থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব পরিবার থেকে মোট ১২ লাখ ৮৫ হাজার ১৩ জন পুরুষ ও নারীর তথ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে দেশে পুরুষের বিয়ের গড় বয়স কমেছে। সে হিসেবে বর্তমানে পুরুষের বিয়ের গড় বয়স দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক দুই বছরে, গত পাঁচ বছর আগে এই গড় ছিল ২৫ দশমিক দুই বছর।তবে গত পাঁচ বছরে নারীদের বিয়ের গড় বয়স বেড়েছে। বর্তমানে নারীদের বিয়ের গড় বয়স ১৮ দশমিক সাত বছর।

বিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে নারীদের তালাক ও বিয়ে বিচ্ছেদের হার বেড়েছে এক দশমিক তিন শতাংশ। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ হার হয়েছিল যথাক্রমে- ১০, ১০ দশমিক পাঁচ, ১০ দশমিক আট, ১১ ও ১১ দশমিক তিন শতাংশ।

একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরে পুরুষদের তালাক ও বিয়ে বিচ্ছেদের হার দশমিক তিন শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ হার যথাক্রমে- এক দশমিক চার, এক দশমিক পাঁচ, এক দশমিক পাঁচ, এক দশমিক আট ও এক দশমিক সাত শতাংশ।

প্রতিবেদনে থেকে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষের প্রথম বিয়ের গড় বয়স কিছুটা নিম্নমুখী। ২০১৬ সালে পুরুষের বিয়ের গড় বয়স ছিল ২৫ দশমিক দুই বছর। ২০২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক দুই বছর। পাশাপাশি নারীর বিয়ের গড় বয়স ২০১৬ সালে ছিল ১৮ দশমিক চার বছর। ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক সাত বছর। শহরের তুলনায় গ্রামের নারী ও পুরুষেরা আগে বিয়ে করছেন।প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশে বিবাহিত পুরুষের হার শতকরা ৬০ ভাগ। অবিবাহিত পুরুষের হার ৩৮ দশমিক তিন ভাগ। আর তালাক বা বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটেছে এক দশমিক সাত ভাগ পুরুষের।এছাড়া বিবাহিত নারীর হার ৬৩ দশমিক দুই ভাগ। অবিবাহিত রয়েছেন ২৫ দশমিক পাঁচ ভাগ নারী। তালাক ও বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটেছে ১১ দশমিক তিন ভাগ নারীর। পুরুষের তুলনায় বেশিসংখ্যক নারী তালাকপ্রাপ্ত ও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকছেন।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button