বগুড়া জেলাস্বাস্থ্য

বগুড়ায় ভান্ডারী কন্যা ও নাতনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান

বগুড়ায় সাধারণ মানুষকে জরুরী অক্সিজেন সেবা দিতে সুদুর নিউইয়র্ক এর বাসিন্দা উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম মুজিবর রহমান ভান্ডারীর সুযোগ্য কন্যা মনোয়ারা হায়াত ও নাতনী রেবেকা সুলতানা’র সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদানের মধ্য দিয়ে জরুরি সেবা দিতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বগুড়া লাইভ।

বিজ্ঞাপন

আজ সন্ধ্যায় রোচাস রেষ্টুরেন্ট এর হলরুমে বগুড়া লাইভ এবং মনোয়ারা হায়াতের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সামির হোসেন মিশুর হাতে ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর করেন বগুড়া লাইভের উপদেষ্টা ও সম্পাদক ও বিজয় টেলিভিশনের বগুড়া প্রতিনিধি মোঃ তানজিজুল ইসলাম স্বরন।

বগুড়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সামির হোসেন মিশুর নিয়ন্ত্রণে দিন-রাত পরিশ্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জরুরী অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে কাজ করে যাচ্ছে তিনটি সংগঠন মিলে গঠিত একদল স্বেচ্ছাসেবী। যার চাহিদা বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকই।

বগুড়া লাইভের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে সহযোগিতায় মানুষের এমন জরুরী সেবায় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন বগুড়া লাইভের উপদেষ্টা ও সম্পাদক স্বরন। এ সময় তিনি বলেন, আমি বগুড়া লাইভের পক্ষ থেকে সব সময় চেষ্টা করি নিজেদের সামর্থ্যের মাঝে মানুষের মাঝে দাঁড়াতে। আর এতে সবসময় আমাকে মানসিকভাবে শক্তি যোগায় বগুড়া লাইভের প্রকাশক শাহ বিন তৌফিক সহ বগুড়া লাইভের অন্যতম সদস্য শাওন, ইফতি, সজলসহ অন্যরা। গত রোযার ঈদের বগুড়া লাইভ নব্যদীপ্তি সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছিলাম একটি বৃদ্ধাশ্রম এবং অসহায় শতাধিক মানুষের সাথে আর তা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারে এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন সুদুর নিউইয়র্কে বসবাসরত বগুড়ার বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম মুজিবর রহমান ভান্ডারীর সুযোগ্য কন্যা আমার আপু মনোয়ারা হায়াত (আম্মুর খালা নানু না বলে আপু আমি বলি)। তার সেই ইচ্ছা এবং বর্তমান সময়ে কোভিড পজিটিভ মানুষের অক্সিজেনের চাহিদা দেখে এই ঈদে আমি এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম মুজিবর রহমান ভান্ডারী’র সুযোগ্য কন্য মনোয়ারা হায়াত বলেন, ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর ১১ তারিখে আমেরিকায় আমার ক্লান্তি সম্প্রদায় পরিষেবাগুলি আমাকে বছরের সেরা মহিলা পুরস্কৃত করেছে এবং আমি আমেরিকান রেড ক্রস সালভেশন আর্মি পুরষ্কার পেয়েছি, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছি আরও অনেক কিছু।ফেডারেল এক্সিকিউটিভ বোর্ড ২০০৪ সালের নির্বাচিত ফেডারাল কর্মচারী হিসেবে পাওয়া পুরষ্কার আমার কাজ এবং ছবি সহ বাংলা অনেক নতুন কাগজকে কাঁপায়। আমি বাংলাদেশী পুরষ্কার হতে পেরে গর্বিত আর এ কারণে বাংলাদেশী মানুষদের কাছে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। তাই আমি এখন একজন আমেরিকার অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সিটিজেন হয়েও আমার শহরের মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি এবং তা আমার নাতী স্বরনের মাধ্যমে করতে পেরে আমি অনেক খুশী।

জরুরী অক্সিজেন সিলিন্ডার গ্রহণকালে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সামির হোসেন মিশু বলেন, আমরা করোনার প্রথম ঠেউ থেকে শুরু করে মানুষের এমন জরুরি সেবা দেয়ার চেষ্টা করে আসছি। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের করোনার ২য় ঢেউ মোকাবেলায় আমরা হিমসিম খেয়ে যাচ্ছি। ঠিক এমন সময় বগুড়ার বিশিষ্ট শিল্পপতি মরহুম মুজিবর রহমান ভান্ডারীর সুযোগ্য কন্যা ও নাতনীর এমন মানবতাবাদী কার্যক্রমে আমি অভিভুত। আমি তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button
ভাষা নির্বাচন