করোনা আপডেটপ্রধান খবরবগুড়া জেলা

বগুড়ায় করোনায় মৃত্যু ৪০০ ছাড়াল

বগুড়া জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে।

গত বছরের ২২ মে করোনায় সংক্রমিত হয়ে জেলায় প্রথম মারা যান বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলাবিষয়ক সম্পাদক এবং বগুড়া-জয়পুরহাট সংরক্ষিত আসনের সাবেক সাংসদ কামরুন্নাহার পুতুল। সেই থেকে আজ পর্যন্ত ৪০৭ দিনে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১১। সেই হিসাবে করোনায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় একজন করে মারা গেছেন। এর মধ্যে গেল জুন মাসে জেলায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে রেকর্ড ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় ৩৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১০০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় ৩৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত বছরের ৩ এপ্রিল জেলায় করোনা বিশেষায়িত সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে শাহ আলম নামের এক দিনমজুরের শরীরে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত ৪৫৬ দিনে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৭৩ জনের। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩১ জনের শনাক্ত হয়েছে। বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৬ জন। তাঁরা হলেন বগুড়ার শেরপুরের জাহাঙ্গীর হোসেন (৪২), নিলুফা বেগম (৫), জয়পুরহাটের প্রফেসরপাড়ার আবু হায়াত (৬০), কালাই উপজেলার মোলামগাড়ির মুক্তি বেগম (৩২), জয়পুরহাট শহরের তাজুরমোড়ের আফিয়া বেগম (৬০) ও গাইবান্ধার ফজল (৫৮)। অন্যদিকে এ সময়ে সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে মারা গেছেন সাতজন। তাঁরা হলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রাবেয়া বেগম (৬০), বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মীরা বেগম (৩৫), বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জ পাড়ার আলী জাহিদ (৬৫), নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার আবদুল মতিন চৌধুরী (৮২), সারিয়াকান্দি উপজেলার টুকু মণ্ডল (৬৫), শিবগঞ্জ উপজেলার আবদুল হান্নান (৬৫) ও সিরাজগঞ্জ সদরের লিলি চৌধুরী (৫৫)।বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার সংক্রমণ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত জেলায় ৮২ হাজার ৮১৩টি নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন মিলেছে। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৭৩ জনের। গড় শনাক্তের হার প্রায় ১৭ শতাংশ।
সূত্র বলছে, এ বছরের ৩০ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত জেলায় করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু ছিল বেশি। এর মধ্যে এপ্রিল পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল, মৃত্যু হয়েছে ২৯৬ জনের। শুধু এপ্রিলে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৪৩৬ জনের এবং মৃত্যু হয়েছিল ৩৩ জনের।

এর আগে ৩১ মে পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১২ হাজার ২৯১ জনের এবং মারা গেছেন ৩১৫ জন। মে মাসে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৪৩৮ জনের এবং মারা গেছেন ১৯ জন। জুনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৮২ জনের এবং মারা গেছেন ৮৩ জন।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button