আইন ও অপরাধ

টিকটকার ধরতে মাঠে নেমেছে পুলিশ

ভারতে পাচার হওয়ার পর ৩ মাস নির্মম নির্যাতন সহ্য করে বন্দিদশা থেকে পালিয়ে দেশে আসা এক কিশোরী মামলা দায়ের করেছেন রাজধানীর হাতিরঝিল থানায়। মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে এই মামলাটা দায়ের করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মামলার ১২ আসামির মধ্যে ৩ জনকে ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেতার করা হয়েছে। আরও ৫ জন এখনও দেশেই অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও জোনের ডিসি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে পুলিশের সাইবার ইউনিট। কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বানিয়ে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে কয়েকশ টিকটকারকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সম্প্রতি ভারতে এক তরুণীকে যৌন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরালের ঘটনা তদন্তে নেমে এসব টিকটকারকে চিহ্নিত করা হয়।

তিনি আরও জানান, টিকটকের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এই পাচারকেন্দ্রিক অপচেষ্টা শুরু হয়। উঠতি বয়সী কিশোরী-তরুণীদের মডেল বা স্টার বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে পাচার করছে একটি চক্র। এজন্য আমরা টিকটককে নেগেটিভলি দেখছি। টিকটক-কেন্দ্রিক অপচেষ্টা বন্ধে আমরা জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

জানা যায়, ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্মে টিকটকে গ্রুপ খুলে সেখানে অশ্লীল ভিডিও পোস্ট করা হতো। যেসব নারী এসব ভিডিওতে লাইক কমেন্ট বা শেয়ার করতেন তাদেরকে টার্গেট করতে লাখ লাখ ফলোয়ারধারী টিকটক আইডির মালিকরা। পরে দেখানো হতো ভিডিও তৈরি করে টিকটকে জনপ্রিয়তা বাড়ানোর প্রলোভন।

র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্স (গোয়েন্দা) উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বলেন, পাচারকারীদের ধরতে ঢাকাসহ সারাদেশে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। র‌্যাব একটি চক্রকে ধরেছে যারা ইতোমধ্যে ভারতে প্রায় ৫০০ নারী পাচার করেছে। ওই চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button