সারাদেশ

কালবৈশাখী ঝড়ে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পাথরবাহী ভলগেট ডুবেছে

দ্বীপজেলা ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পাথরবাহী একটি ভলগেট ডুবে গেছে। চরফ্যাশনের ঢালচর ঘাটে বাঁধা লঞ্চটি হঠাৎ ঝড়ের কবলে পরে ডুবে যায়। আর ভোলার মেঘনা নদীতে ঝড়ে কবলে পরে পাথরবাহী একটি ভলগেট ডুবে গেছে। এই ঘটনায় কোন হতাহতর খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ঝড়ো বাতাসে এই ঘটনা ঘটে। লঞ্চটির ঢালচর থেকে চরফ্যাশনের কচ্ছপিয়া ঘাটে যাওয়ার কথা ছিলো।
 
ঢালচর পুলিশ ফারির (আইসি) নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে ঘাটে বাঁধা থাকা লঞ্চটির উপরের অংশ বাতাসে উড়ি নিয়ে যায়। পরে প্রচণ্ড বাতাসের কারণে পানির চাপে লঞ্চটি ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা ও স্টাফরা দড়ি দিয়ে লঞ্চটি বেধে রাখেন। লঞ্চটি ডুবে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

ঢালচর ইউনিয়র আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য কাউছার ফরাজী জানান, কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে লঞ্চ ডুবে যাওয়ায় ঢালচর ইউনিয়নের সাথে চরফ্যাশন উপজেলার সাথে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই লঞ্চটি ঢালচরবাসীর যোগাযোগের অনত্যম মাধ্যম ছিল।

ঢালচরের মানুষের সুবিধার্থে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঢালচর থেকে চরফ্যাশনের কচ্ছপিয়া ঘাটে যাত্রী ও মালামাল আনা-নেয়ায় এই লঞ্চটি সার্ভিস দিয়ে আসছিলো। মূলত ঢালচরে কোন শাখা খাল না থাকায় নদীর পাশে ঘাট করতে হয় লঞ্চ কিংবা মাছ ধরার নৌকাগুলোকে। এতে প্রায়ই এখানে ঝড়ের কবলে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে।   

এদিকে ভোলার মেঘনা নদীতে ঝড়ে কবলে পরে পাথরবাহী একটি ভলগেট ডুবে গেছে। পাথরগুলো ভোলার মেঘননদী ভাঙ্গন রোধে ব্লকের কাজে ব্যবহার করার জন্য আনা হচ্ছিল। 

ইলিশা ফেরিঘাটের নৌ-পুলিশ ইনচার্জ সুজন চন্দ্র পাল জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে এমভি জেআরবি নামের একটি ভলগেট পাথর নিয়ে ভোলায় আসছিল। ভলগেটটি জোড়খাল এলাকায় আসলে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যায়। তবে এই ঘটনায় কোন হতাহতর খবর পাওয়া যায়নি। এতে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button