দুর্ঘটনা

পানির পাইপে লিকেজ, ধসে গেছে রাস্তা ও বাড়ি

পৌরসভার পানির লাইনের পাইপে লিকেজ থাকায় সেই পানির তোড়ে নদীতে ধসে গেছে রাস্তাসহ একটি বাড়ির ঘর। এসময় ওই বাড়ির বাঁকি ঘরগুলোতেও দেখা দিয়েছে ফাটল। ঘটনাটি বগুড়া শহরের মালতীনগর আনসার ক্যাম্পের পাশে করতোয়া নদী সংলগ্ন এলাকায়। এঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সরেজমিনে শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে দেখা যায়, করতোয়া নদীর তীরে রাস্তা সংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় ৪ শতক বাড়ির উপরে একটি বাড়ির টিনের ছাপড়া ঘর সহ ইটের দেয়াল নদীর তীরে ধসে গেছে। ওই বাড়ির সাথে থাকা রাস্তাটিও ধসে গেছে নদীতে। সেখানে গর্তখুড়ে কাজ করছেন বগুড়া পৌরসভার কর্মীরা কাজ করছেন।

সেখানে কাজ করা কর্মীরা জানালেন, পানির পাইপের জোড়ায় ফাটল ধরেছে। পানি বের হচ্ছে সেটা মেরামতের কাজ চলছে।

ধসে যাওয়া বাড়ির মালিক সীমা আকতার বলেন, আমার বাবার দেয়া ৪ শতক জায়গাতে বাড়ি করেছি। ভাড়াটিয়ারা থাকেন। শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হটাৎ বিকট শব্দে ইটের দেয়াল সহ একটি টিনের ছাপড়া ধসে যায়। ধসে যাওয়ায় বাড়ির এতে প্রায় তা ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

সীমা আকতার দাবি করেন, পৌরসভার কর্মীরা মাসখানেক আগে এসে পানির লাইন ঠিক করে গেছে। আবার সেটির লিকেজ হয়ে পানির তোড়ে রাস্তাসহ বাড়ি ধসে গেছে। ধসে যাওয়ায় তিনি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

এদিকে ধসে যাওয়া রাস্তার সাথে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত আরেক বাড়ির মালিক রকিব উদ্দিন বলেন, আমরা কয়েকদিন আগে ৬৪ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৬ ফুট প্রস্থের রাস্তা নির্মাণ করেছি। সেই রাস্তার প্রায় ৩৪ ফুট ভেঙে গেছে। যাতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে জায়গাটি নদীর নয় বলেও তিনি দাবি করেছেন। এখন নিরুপায় হয়ে ঝুঁকি নিয়ে নদীর ভিতর দিয়ে যাতায়াত করছি।

শনিবার সন্ধ্যায় বগুড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান জানান, পানির পাইপে লিকেজ ছিল, তা জেনে আজ তা মেরামত করা হয়েছে। তবে পানির তোড়ে বাড়ি ও রাস্তা ধসের যাওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

ওই এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশ কয়েকদিন পাইপটি ঠিক করা হয়েছিল। শুক্রবার বিকেলে হটাৎ বিকট শব্দ শুনে বাহিরে আসি। এসে দেখি রাস্তাসহ বাড়ির দেয়াল ও টিনের ছাপড়া ধসে যাচ্ছে। ধসে যাওয়ার পর দেখা যায় পানির লিকেজের কারণে নিচে মাটি ধসে গেছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button