জাতীয়বগুড়া

বগুড়া জিলা স্কুল মানেই “ধামাকা”

স্বাধীন বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৬শে মার্চ বৃহৎ আকৃতির পতাকা প্রদর্শনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে বগুড়া জিলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দাবি তাদের ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং ৯০ ফিট প্রস্থ কাপড়ের এই পতাকা হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় জাতীয় পতাকা। আর এই পতাকা উন্মোচনের সাক্ষী হতে পেরে অভিভূত স্কুলের প্রধান শিক্ষক…..

কালের পরিক্রমায় বগুড়া জিলা স্কুল বাংলাদেশের এক অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।১৬৮ বছর পুরোনো এই স্কুলের ঝুলিতে আছে হুমায়ুন আহম্মেদ,জাফর ইকবাল, মুশফিকুর রহিমের মত আরো অনেক যুগান্তকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ। সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে যুগের পর যুগ শুধুমাত্র সৌহার্দ্য,সস্প্রীতি,এবং স্কুলের প্রতি ভালবাসায় প্রাক্তনের মেলবন্ধন ঘটে বগুড়া জিলা স্কুলের সেই চিরচানা সবুজ মাঠে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবছর স্বাধীন বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৬ মার্চ বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৯০ ফুট প্রস্থ এক বৃহৎ আকৃতির জাতীয় পতাকা উন্মোচন করতে যাচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। শিক্ষার্থী এবং সংগঠনের নেতাদের দাবি! দেশের সর্ববৃহত পতাকা উন্মোচন হতে যাচ্ছে এটি।

বগুড়া জিলা স্কুলের ব্যাচ ৭৯ এর শিক্ষার্থী আখতারুজ্জামান হিরু বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আমরা ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং ৯০ ফিট প্রস্থ জাতীয় উন্মোচন করতে যাচ্ছি যা দেশে কাপড়ের সবচেয়ে বড় পতাকা হবে।

৪০ বছর কাজের জীবনে প্রথম এত বড় জাতীয় পতাকা সেলাই করায় ইতিমধ্যে আবেগে আপ্লুত কারিগররা

বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তফী বলেন,
চাকরি জীবনে নিজ স্কুলে এমন কাজের সাক্ষী হতে পেরে আমি অভিভুত।

মুক্তিযোদ্ধার আরসাদ সাইড এর দেয়া তথ্যমতে স্বাধীনতা যুদ্ধে বগুড়া থেকে অংশগ্রহণে এবং শহীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী ছিলেন বগুড়া জিলা স্কুলের। তাইতো নতুন প্রজন্মকে জানাতে ২৬ শে মার্চ স্কুল প্রাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধা কর্নারের মধ্য দিয়ে ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করবে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

সম্পর্কিত পোস্ট

হাইলাইট
Close
Back to top button