খেলাধুলা

বিয়ের পর মাঠে নেমেই ‘নায়ক’ নাসির

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন নাসির। সে প্রসঙ্গ আর নয়। নতুন খবর হলো মাঠে ফিরেছেন নাসির। আর ফিরেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় লিগ দিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় পর নাসির ফিরেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। আবুধাবি টি-১০ লিগে খেললেও দেশে অনুষ্ঠিত বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ও বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে সুযোগ পাননি নাসির। তবে জাতীয় লিগকে নিয়েছিলেন বেশ সিরিয়াসভাবে। লিগ শুরুর আগেই নাসির জানিয়েছিলেন, এবার ছয় ম্যাচে কমপক্ষে আটশ’ থেকে এক হাজার রান করতে চান। রংপুর বিভাগের হয়ে খেলতে নেমে ব্যাট হাতে নিজের প্রথম ইনিংসেই সেই কথা রেখেছেন জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়া এই অলরাউন্ডার।

বিজ্ঞাপন

সব সমালোচনার জবাব দিতে নাসির বেছে নিলেন ২২ গজকে। জাতীয় লিগে বিকেএসপি’র তিন নম্বর মাঠে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে দ্বিতীয় দিন শেষে নাসির অপরাজিত ছিলেন ৯৩ রানে। বুধবার (২৪ মার্চ) সকাল সকাল নাসির তুলে নেন সেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যা নাসিরের ৮ম সেঞ্চুরি। শুধু তাই না, দলের অর্ধেক রানই এসেছে নাসিরের ব্যাট থেকে। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে রংপুর প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয় ২৩০ রানে। যার অর্ধেক ১১৫ রান করেন নাসির। দলের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সালাউদ্দিন শাকিলের বলে নাসির আউট হন।

এরপর বল হাতে ভেল্কি দেখানো শুরু করেন নাসির। ১৩৫ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ঢাকা বিভাগ। সোহরাওয়ার্দী শুভ আর মাহমুদুল হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বিপর্যয়ে পরে ঢাকা বিভাগ। দলীয় ৭৩ রানেই তারা ৫ উইকেট হারায়। এরপর বল হাতে নিয়ে ম্যাজিক দেখান নাসির হোসেন। তুলে নেন টানা চার উইকেট। নাজমুল ইসলাম অপু রান-আউট না হলে সুযোগ ছিলো ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেয়ার। সেটা হলে ম্যাচে সেঞ্চুরি আর পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়তে পারতেন নাসির।

তবে প্রথম ইনিংসে এক উইকেট পাবার সুবাদে ম্যাচ ঠিকই পাঁচ উইকেট শিকার করেন নাসির। জয়ের জন্য শেষ দিনে ব্যাট হাতে ভূমিকা রাখতে হবে নাসিরকে। ২৬৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে, তৃতীয় দিন শেষে রংপুর বিভাগের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৫ রান। শেষ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের আরো দরকার ২২৯ রান।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button