জাতীয়তথ্য ও প্রযুক্তি

দেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন মাইলফলক, “আলাদা হলো জোড়া মাথার যমজ শিশু’

ঢাকা সিএমএইচে এক বছর ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছে জোড়া মাথার যমজ শিশু রাবেয়া-রোকেয়া। অবশেষে মিললো সুখবর। মাথা আলাদা করার অসম্ভবটি কাজটি সম্ভব করেছেন দেশের একদল চিকিৎসক। একশ চিকিৎসকের ৪৮টি অস্ত্রোপচারের পর এলো এই সফলতা। দু’একদিনের মধ্যেই বাবা-মায়ের সাথে বাড়ি ফিরবে রাবেয়া ও রোকেয়া।

বিজ্ঞাপন

রাবেয়া-রোকেয়া এখন হাত ধরাধরি করে খেলে। সিএমএইচের যে ছোট্ট ঘরটিতে তারা পুরো এক বছর জীবনমরণ যুদ্ধ করেছে; সে ঘরেই এখন হেঁটে বেড়ায় রাবেয়া।

বিজ্ঞাপন

তিন বছর আগে শিক্ষক বাবা মায়ের ঘরে জন্ম এই দুই শিশুর। দুজনের মাথা ছিলো জোড়া লাগানো। নতুন সন্তানের আগমনে আনন্দের বদলে নেমে আসে বিষাদের ছায়া। তবে সময় পাল্টেছে, জোড়া লাগানো নয়, এখন দুসন্তানকে আলাদাভাবে নিয়ে বাড়ি ফিরবেন এ বাবা মা।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এ ধরনের মাথা জোড়া লাগানো শিশুকে বলা হয় কনজয়েন্ট টুইন। যা খুবই বিরল। এ ধরনের সমস্যায় মাত্র ২৫ ভাগ শিশু বেঁচে থাকে; অস্ত্রোপচারে যাদের মাথা আলাদা করা যায়। এই জটিল অপারেশনের চ্যালেঞ্জে সফল দেশের চিকিৎসকরা। এতে অংশ নেন প্রায় ১০০ চিকিৎসক।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুযোগ পেলে এমন আরো সফলতা এনে দেবেন দেশের চিকিৎসকরা।

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাবেয়া ভালো আছে। তবে এখনও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে রোকেয়ার।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button