নব্যদীপ্তি_শুদ্ধ চিন্তায় তারুণ্য

ব্যক্তিত্ব

এমন একটা জিনিস যা আপনার ওপর সমগ্র দুনিয়ার ব্যবহার নির্ণয় করাবে।
ব্যক্তিত্ব আর ব্যক্তি এই দুইটি পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক, ব্যক্তিত্ব পূর্ণ ব্যক্তি সবার কাছেই সমাদৃত আর ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব না থাকলে সে সবার কাছে আলফা হয়ে উঠতে পারেন না।
(এখনে ব্যক্তি বলতে পুরুষ নারী উভয়ের কথাই বুঝানো হয়েছে)।
এখন আলফা মানে কি? এটা হলো এক ঘরে দশ জন থাকলে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ একজন যাকে মানুষ বেছে নেবে।
মানুষের নেচার, প্রকৃত এবং পরিবেশ যে কোন পরিবেশ না, সেই পরিবেশ যাতে একটি শিশু বড় হয়ে উঠে যা তার মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ করার একটি নিয়ামক।
আপনি অনেক ভালো, সবার কেয়ার করেন, ২ মিনিট আগে যার সাথে পরিচয় হলো তার ভালোর জন্য আপনি কাদাতেও নামতে পারেন
আপনি এই শিক্ষিত জনগণের কাছে “ন্যাকা”।
অযাচিত কেয়ার হুহ,কেউ চায় না।
আপনি ভালোবাসেন প্রাণ খুলে, যে কোন বিপদে বুক দিয়ে আগলে রাখতে প্রস্তুত তার একাকিত্বে আপনি নিজের কাঁধ এগিয়ে দেন, আপনার নিস্বাঃর্থ ভালোবাসার পশ্চাতেও তার নিস্বাঃর্থ ভালোবাসা পান না, পায় কে? ওই যে আলফা গুলো। ভালো মানুষ হতে সবাই বলে। কিন্তু ভালোমানুষ কে যোগ্য স্থান দিতে কেউ চায় না।
আপনি ভুল করলে বোকা হাদা, আর তারা করলে ছেলেমানুষী, হ্যা? দুই চোখ হয়ে গেল না? হবেই তো। সব কিছুই তো আর চেহারা নির্ধারণ করে দেয় না। পার্সোনালিটি।
আপনি একজন মেয়েকে হাসাতে পারেন সেও পারে আপনি হাসালে সার্কাসের জোকার, আর সে করলে সেন্স ওব হিউমার।
এই ব্যক্তিত্ব সব খানেই থাকতে হয়, শুধু মেয়ে পটাতেই বা ছেলেদের পাগল করতেই নয়।
বুকে পাটা থাকতে হবে সত্য কথা বলতে জানতে হবে। সেটা পরিবেশ পরিস্থিতি যাই হোক না কেন। যেখানে অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদ করতে হবে। প্রতিবাদের স্বর তুলতে হবে, আর জেন্ডার ডিস্ক্রিমিনেশন করলে হবে না, আপনি নেতৃত্ব দিলে সবাইকে সমান ভাবে দেখতে হবে। ব্যক্তিত্ববান পুরষ নারী দেশ গঠন ও ভবিষ্যত নির্ধারণ করতে পারে।
যেমন আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
দেশ স্বাধীন করে এনেছিলেন তার নেতৃত্ব আর সবার তার ওপর বিশ্বাস আর দেশের স্বাধীন করার তীব্র ইচ্ছা থেকে।
আজ কাল এমন আর নাই, প্রায় সই অন্যায় হয় কিন্তু প্রতিবাদ করা হয় লোক দেখে আর তার ক্ষমতা দেখে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button