নব্যদীপ্ত_শুদ্ধ চিন্তায় তারুণ্য

কারা এরা??কোথায় থেকে এসেছে??

ক্লাস!!
ক্লাস বলতে আমরা যা বুঝি, তা হচ্ছে শ্রেনিকক্ষ। কিন্তু এই সমাজ আমাদের শিখিয়েছে ক্লাস হলো স্তর। যে স্তর অনুযায়ী মানুষকে ভাগ করা হয় বিভিন্ন শ্রেনিতে। এই স্তরগুলোর কোন একটাতে পরে পথশিশু। যাদের সমাজের সবাই টোকাই, বেজন্মা, বস্তির ছেলে হিসেবে চিনি। এদের সমাজের একটি বর্জিত অংশ বলা যায়।

সাধারণত যারা রাস্তায়, ফুটপাতে, রেললাইনের ধারে বসবাস করে তাদের আমরা পথশিশু হিসেবে চিনি। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি এরা আসলে কারা??? কি এদের পরিচয়??
কেন তারা আজ রাস্তায়.?? তাদের এই রাস্তায় থাকার জন্য দায়ী কে????

এরা সেই শিশু যাকে তার মা জন্মের পরেই স্থান দিয়েছে নোংরা ডাসটবিনে, হয়তো সে ছিল সেই মায়ের ক্ষনিক বিনোদনের ফল। এরা সেই শিশু যার স্থান হয়নি তার সৎ বাবা/ মায়ের সংসারে। এরা সেই শিশু যে তার মা বাবা পরিবারকে হারিয়ে এখন নিঃস। রাস্তার ফুটপাতই যেন তার একমাত্র আশ্রয়স্থল।

এই পথশিশুরা সর্বত্র অবহেলিত। দু মুঠো খাবার যোগার করতে যেন তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে। জীবনের অবস্থার একটু উন্নতি যেন তাদের কাছে আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো দুর্লভ। জীবনের এই সময়ে যখন তাদের খেলাধুলা করার কথা, স্কুলে যাওয়ার কথা তখন তারা জীবন সংগ্রামে লড়াই করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ক্ষুধার তাড়নায় অনেকেই পা বাড়িয়েছে অনৈতিক পথে। তারা আজ নির্মম বাস্তবতার শিকার।

এই পথশিশুদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। পুলিশের পেটানি, আর মানুষের গালিগালাজ শুনেই কেটে যাচ্ছে এদের জীবন।
জীবনের সকল পর্যায়ে, সকল পরিস্থিতিতে এরা নিঃস, এরা সভ্য সমাজ দারা অবহেলিত, এরা নির্যাতিত। তাই আজ এরা রাস্তায়, ফুটপাতে, কেউবা রেললাইনের ধারে। তাই সমাজের দেওয়া অপবাদগুলো নিয়ে এরা পথশিশু।

ক্ষুধার জালায়  জীবন আজ বিষন্ন, শরীরে ছেয়েছে অবসাদ 

সমাজের কানে আজও পৌছেনা আমার চেপে রাখা আর্তনাদ
□তবুও যেন আশার আলো উকি দিচ্ছে পুব আকাশে
মুছরে যাওয়া মন আবার সপ্ন দেখছে নতুন করে বাঁচবার………..

মাহিন হাদি প্রথম
নব্যদীপ্তঃ শুদ্ধ চিন্তায় তারুণ্য

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button