বগুড়াবগুড়া সদর উপজেলা

বগুড়ায় যানজট নিরসনে নতুন বছরে পুলিশের নতুন পদক্ষেপ

বগুড়ায় বছরের শুরুতেই শহরের যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা এবং ইজিবাইকের জন্য নেয়া হয়েছে এক নতুন পদক্ষেপ।

আজ ১লা জানুযারি রোজ শুক্রবার সকাল থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা ও ইজিবাইক শহরের প্রানকেন্দ্র সাতমাথায় প্রবেশবন্ধে ব্যাপক কড়া নজরদারিতে রেখেছে ট্রাফিক পুলিশ। এতে প্রথম দিনে কিছুটা জনদুর্ভোগ হলেও আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে বলে ভাবছেন পথচারীরা। সেইসাথে অন্য আরো অনেক ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রয়োজন মনে করছেন তারা।

আরিফুল ইসলাম নামের একজন পথচারীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি এমন সিদ্ধান্তের কথা জানতাম না তাই সাতমাথা পর্যন্ত এসে হেটেই পাড় হতে হচ্ছে বাজার করতে তবে জেলা পুলিশের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাধুবাদ জানাই কিন্তু শুধু সাতমাথায় অটোরিক্সা প্রবেশ বন্ধ না করে এইসব উৎপাদন প্রতিষ্ঠান গুলোরও ব্যবস্থা নেয়া উচিত। সেই সাথে তাদের প্রতিও যারা প্রকাশ্যে এভাবে এই অবৈধ অটোরিক্সাগুলো বিক্রি করছেন।

এদিকে গফুর নামক এক অটোরিকশা চালকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,এই শহরে প্রায় ২০/২২ হাজার রিক্সা চলাচল করে তাহলে যানযট না হয়ে উপায় কি আছে বলেন? তবে আমাদের সকলকে সাতমাথা প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে আমাদের জন্য লাইসেন্স এর একটা ব্যবস্থা করা উচিত যাতে লাইসেন্স ছাড়া কেউ চলাচল করতে না পারে।

এদিকে কয়দিন আগে থেকেই সাতমাথার ভাসমানগুলোকে ইতিমধ্যে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ তাইতো সাতমাথায় রিকশা ঢুকতে না পারায় প্রতিদিন আশা আড্ডা এবং খাওয়া-দাওয়া করা লোকজনের চাপ পড়তে শুরু করেছে শহরের রেষ্টুরেন্টগুলোতে। সরজমিনে দেখা যায় সন্ধ্যার পর থেকে প্রায় সব রেষ্টুরেন্ট গুলোতেই উপচে পড়া ভিড়।তবে মালিকরা বলছেন, একদিকে আজ শুক্রবার আর এসব কাষ্টমার তাদের বেশির ভাগই নিয়মিত।

এ ব্যাপারে সদর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এস আই খোরশেদ আলম বলেন, যানযট নিরসনে আমাদের পুলিশ সুপার সব ধরনের চেষ্টা অবলম্বন করে যাচ্ছেন। যার সুফল জনগন খুব শীঘ্রই পেতে শুরু করবেন বলে আশা করছি।

বগুড়া সদর ফাঁড়ির ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে বগুড়া পৌরসভার অনুমতিবিহীন যে অটোরিক্সা,ইজিবাইকগুলো আছে তা সাতমাথায় প্রবেশ ঠ্যাকাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবো এবং খুব শীঘ্রই তার সুফল পাবো বলে আমরা আশা করছি।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button