জাতীয়

নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন বই তৈরির কর্মযজ্ঞ

প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে মাত্র কয়েকদিন বাকি। শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে হবে সাড়ে ৩৪ কোটি নতুন বই। তাই ভাঁজ-বাঁধাইসহ নানা কর্মযজ্ঞ চলছে ছাপাখানাগুলোতে। নির্ধারিত সময়ে বই ছাপার কাজ শেষ করতে চান কর্মীরা।

নতুন শিক্ষাবর্ষে নতুন বই তুলে দেয়া হয় শিক্ষার্থীদের হাতে। বাংলাদেশ সরকার প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দিচ্ছে উৎসব করে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার ছাপা হচ্ছে সাড়ে ৩৪ কোটি বই। সময় মতো কাজ শেষ করতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। ছাপার পর চলছে ভাজ-বাঁধাই-এর কাজ। নতুন মলাটে বাঁধাই হচ্ছে রঙিন বই। কাটিং মেশিন পূর্ণ অবয়ব দিচ্ছে বইয়ের।

বইয়ের মান ঠিক রাখতে কঠোর তত্বাবধান আছে বলে জানান শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা জানান, ছাপার শুরু থেকেই সারাক্ষণ আমরা এটার ট্রায়াল দিতে থাকি। খারাপ আসলে সাথে সাথে সেগুলো ফেলে দিয়ে ভালো কপিগুলো দেই।

এরই মধ্যে বেশিরভাগ বইয়ের ছাপার কাজ শেষ। নির্ধারিত সময়ে বাকী কাজ শেষ করতে প্রতিদিনই অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে কর্মীদের।

শ্রমিকরা আরও জানান, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেনারেল ডিউটি। কাজের চাপ বেশি থাকায় রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহের জন্য সবারই ওভারটাইম করা লাগছে।

এরই মধ্যে অনেক বই ছাপাখানা থেকে যাচ্ছে রাজধানীসহ সারাদেশের শিক্ষা অফিসগুলোতে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button