খেলাধুলা

এক নজরে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টির সেরা পরিসংখ্যান

দশ ম্যাচে ৩৯৩ রান করে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক লিটন দাস। আর বল হাতে ২২ উইকেট তুলে নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন শান্ত, নাঈম ও ইমন। সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ বরিশালের দুই উইকেটে ২২১। আর রান ও উইকেটের হিসেবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় আছে দুই ফাইনালিস্ট খুলনা ও চট্টগ্রামের নামের পাশে।

ক্রিকেটের প্যাটার্নই বদলে দিয়েছে টি-২০। ১২০ বলের খেলায় দুই-আড়াই’শ রান এখন চেজ হয় হর-হামেশাই। আর এটা যদি হয় লোকাল টাইগারদের ম্যাচে, তাহলে বলতেই হয় সক্ষমতা বাড়ছে। এমনই হয়েছে বরিশাল রাজশাহী ম্যাচে। লিগ পর্বে শান্তদের গড়া ২২০ রানের পাহাড়, ইমনরা টপকে গিয়েছিলো ১১ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখেই। ওটাই বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। টুর্নামেন্টে ২০০ পেরুনো বাকি ইনিংসটি ছিলো চট্টগ্রামের বিপক্ষে জেমকন খুলনার ২১০।

দেশি ক্রিকেটারদের এই আসরে বড় তিন জয়ের, তিনটাই এসেছে খুলনার হয়ে। রানের হিসেবে তাদের এই জয়গুলো বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিপক্ষে যথাক্রমে ৪৮, ৪৭ ও ৩৭ রানের। আর উইকেট বিবেচনায় বড় জয় দুটো চট্টগ্রামের। ঢাকা এবং খুলনার বিপক্ষে দুটোই এসেছে সমান ৯ উইকেটের।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে ব্যাট হাতে নৈপুণ্য দেখিয়েছেন লিটন দাস। মাঝারি মানের স্ট্রাইক রেটে ১০ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৩৯৩। ৩২৪ রান করে তার পর আছেন তামিম। তবে টি-২০ সুলভ না হওয়ায় আসর জুড়ে তার ব্যাটিং ছিলো কিছুটা বিরক্তিকর। বিপরীতে নাজমুল হোসেন শান্তর ১৫৭ স্ট্রাইক রেটে তোলা ৩০১ রানে ছিলো খুনে মেজাজ।

ঘরোয়া টি-২০’র এই আসরে মুস্তাফিজকে পাওয়া গেছে পুরনো চেহারায়। ১০.৫ স্ট্রাইকরেটে ১০ ম্যাচে তিনি তুলে নিয়েছেন ২২ উইকেট। সমান ম্যাচে মুক্তার আলীর সংগ্রহ ১৭টি। এছাড়াও কামরুল ইসলাম রাব্বি, শরিফুলরাও জানান দিয়েছেন সামর্থ্যের। আর শেষদিকে মাশরাফীর বুড়ো হাড়ের ভেলকিটাও কম কিসের!

যে কোন ক্রিকেটেই রান করারটা গুরুত্বপূর্ণ! কিন্তু টি-২০’তে এই দৌড়ে পেছনে ফেলতে হয় বলের সংখ্যা। সেই হিসেবে সাইফুদ্দিনের ২১৬ স্ট্রাইক রেট সবার ওপরে। যদিও দুই ইনিংসে মাত্র ১৩ রান এসেছে তার উইলো থেকে। তবে পুরো আসরে দেড়শ’র ওপর কিংবা কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট রেখে রান তুলে গেছেন শান্ত, আকবর, আফিফরা।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে একটি করে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, নাইম শেখ ও পারভেজ ইমন। সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডটাও ওদেরই দখলে। শান্তর উইলো থেকে এসেছে ২১টি। এক ইনিংসেই যার ১১টি মেরে তিনি স্পর্শ করেছেন তামিম ইকবালের রেকর্ড। নাঈম শেখ আর ইমনের ছক্কার সংখ্যা যথাক্রমে ১৯ ও ১৫।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button