জাতীয়

বগুড়ার পথে যাত্রা সেনাবাহিনীর শত সাইক্লিস্ট

সেনাবাহিনীর সাইক্লিস্টদের দলটি রংপুর ছেড়ে বগুড়ার পথে যাত্রা শুরু করেছে। শনিবার (১৪ নভেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ মেরিন একাডেমি থেকে শত সাইক্লিস্ট একসঙ্গে রওনা হন।

মুজিববর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুজিববর্ষ সাইক্লিং এক্সপেডিশন আয়োজন করেছে। উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া জিরোলাইন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ যাত্রা শুরু হয়।

শনিবার সকালে পীরগঞ্জের মেরিন একাডেমি থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানান সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেড (৩০ বীর) এর কমার্ন্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল মো. হেদায়েতুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন অন্য কর্মকর্তাগণ।

এর আগে গত বুধবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে রংপুর সেনানিবাসে সাইক্লিস্টদের দলটি এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে সাইকেলের প্যাডেল মারিয়ে পরদিন রংপুর ক্যাডেট কলেজ হয়ে মিঠাপুকুরে গিয়ে বিরতি দেন।গতকাল পীরগঞ্জ মেরিন একাডেমিতেই রাত্রিযাপন করে শত সদস্যদের দলটি।

এ ব্যাপারে সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেড (৩০ বীর) এর কমার্ন্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল মো. হেদায়েতুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘তেঁতুলিয়া থেকে টেনাফ পর্যন্ত সাইকেলে ১০১০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়ার দুঃসাহসিক প্রয়াস সাইক্লিং এক্সপেডিশন। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষের চেতনাকে ধারণ করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব ফরমেশনের ১০০ জন সাইক্লিস্টের অংশগ্রহণে এই বছরকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলার প্রচেষ্টা করা হয়েছে’।

তিনি আরও জানান, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মহিমান্বিত করে তোলার জন্য ৭১ জন সাইক্লিস্ট এই এক্সপেডিশন চলমান রাখবে। সঙ্গে দলে আরও ২৯ জন রিজার্ভ সাইক্লিস্ট রয়েছে’। বগুড়া হতে সাভার, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও রামু হয়ে টেকনাফে পৌঁছাবে সাইক্লিং এক্সপেডিশনে অংশ নেয়া সাইক্লিস্টরা। আগামী ৩ ডিসেম্বর টেকনাফে এই এক্সপেডিশন শেষ হওয়ার কথা’।

এর আগে গত রোববার (৮ নভেম্বর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তের জিরোলাইনে মুজিববর্ষ সাইক্লিং এক্সপেডিশন এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও রংপুর এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম এর উদ্বোধন করেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button
error: Content is protected !!