প্রয়োজনীয় তথ্য

জাতীয় পরিচয়পত্রের সকল সেবা নিন অনলাইনে ঘরে বসে

যারা জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন তারা সংশোধন / ডুপ্লিকেট কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন । যারা ইতিমধ্যে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি পান নি, তারা অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করে ডাউনলোড অপশন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।  

জেনে নিন যেভাবে তথ্য পরিবর্তন করবেন-
https://services.nidw.gov.bd/registration ঠিকানা ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করার চেষ্টা করুন। (এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে Understand the Risks ক্লিক করেন। On the warning page, click I Understand the Risks. https://services.nidw.gov.bd/registration
Click ‘Add Exception’…. The Add Security Exception dialog will appear. Click ‘Confirm Security Exception’ ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে। এরপর-

  • প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
  • আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।
  • তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।
  • প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।
  • তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার ‘রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে চাই’ ক্লিক করুন। এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পূরণ করুন- এন.আই.ডি নম্বর: (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন।

উদাহরণ: আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন ১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)

জন্ম তারিখ: (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)

মোবাইল ফোন নম্বর: (আপনার সঠিক মোবাইল নম্বর দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে)

ইমেইল: (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)

বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

স্থায়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমন: BanglaBD20 এবার সঠিকভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবে না ।

এবার ‘রেজিস্টার’ বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান। ফরমটি সঠিক ও সফলভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন। (২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুনরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন) সঠিকভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে।

এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক https://services.nidw.gov.bd/login লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন। এবার ‘সামনে’ ক্লিক করুন। আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন। দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে ‘পুনরায় কোড পাঠান’ বাটনে ক্লিক করুন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই। 

অনলাইনে এনআইডি সংশোধন: অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য আপনাকে প্রথমে উপরে বলা সিস্টেমে নির্বাচন অফিসের সার্ভারে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর আপনার NID তে লগইন করার পর প্রোফাইলে ক্লিক করবেন, তারপর এডিট বাটনে ক্লিক করবেন, আপনার প্রয়োজনমত যা যা সংশোধন করার দরকার তা ইডিট করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। এই ধাপে আপনার NID তে যা যা সংশোধন করতেছেন তার বিস্তারিত দেখাবে সব ঠিক থাকলে আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়ার জন্য দেখাবে। আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করলে স্ক্রিনে দেখাবে কত টাকা পেমেন্ট করতে হবে। যত টাকা দেখাই তত টাকা আপনি জমা দিতে হবে।

যে সকল মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়া যাবে: ১. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং রকেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। ২. ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড এবং ওকে ওয়ালেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। ৩. ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং টি-ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। ৪. মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড। ৫. বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড। তবে এর মধ্যে রকেটে দিলেই সবচেয়ে ভালো।

টাকা জমা দেওয়ার পর আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। পরের ধাপে আপনার প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র এড করতে হবে। এড করা শেষে আবারো পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন এই ধাপে আপনার আবেদনের ফাইনাল একটা রিভিউ দেখাবে আপনি কি কি পরিবর্তন করতেছেন কি কি কাগজপত্র এড করছেন তার সবকিছু দেখাবে সবকিছু ঠিক থাকলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ। সাবমিটে ক্লিক করা সাথে সাথে আপনাকে NID এর হোম পেইজে নিযে আসবে আপনি প্রোফাইলে ক্লিক করলে দেখবেন লেখা আছে আপনার একটি আবেদন পেন্ডীং রয়েছে এটার পাশেই ডাউনলোড অপশন থাকবে এটাতে ক্লিক করলেই আপনার সংশোধনের আবেদন কপিটা ডাউনলোড হয়ে যাবে। এটাতে আপনি সংগ্রহ করবেন। এবার আপনি অপেক্ষা করতে থাকবেন যেদিন ঠিক হয়ে যাবে আপনার মোবাইলে ম্যাসেজ চরে আসবে তাপর আবার আপনার আইডিতে লগইন করে ডাউনলোড এ ক্লিক করলে আপনার সংশোধিত NID কার্ডটি পেয়ে যাবেন।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button