চিকিৎসা সংক্রান্ত

বাজারে নকল মাস্কের ভীড়ে যেভাবে চিনবেন আসল এন৯৫ মাস্ক

এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর নকল মাস্ক সরবরাহ ফলে ছয়লাভ হয়ে গিয়েছে বাজার।এমত অবস্থায় আসল এন৯৫ মাস্ক চেনে খুবই জরুরি।

মাস্ক দেখে আসল না নকল চিনতে পারার ও কিছু উপায় আছে।আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) দ্বারা মাস্ক অনুমোদিত কি না তা পরখ করে দেখে নেওয়া। যারা এন৯৫ মাস্ক কিনছেন সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি নম্বর মাস্কের গায়ে উল্লেখ করা থাকে। সঙ্গে থাকে এনআইওএসএইচের কথাও। মাস্কের গায়ে লেবেলে বা প্যাকেজেও উল্লেখ থাকে।
যারা প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম, তারা এই সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে সেটি মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন। এমনকি ইমেইল করেও জেনে নিতে পারবেন। তবে চিকিৎসক অমিতাভ নন্দীর মত, অনুমোদিত এন-৯৫ মাস্কের লোগোও নকল করা সম্ভব। তাই যাতে মানুষের কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই ভিত্তিতে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। জাত-ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে সমান পরিসেবা পায়, সঠিক মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারে তা দেখতে হবে সরকারকেই। তবেই সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে রোখা সম্ভব।

যেভাবে চিনবেন নকল মাস্কঃ
১.ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনও মার্কিং না থাকলে
২. ফিল্টারিং মাস্কে কোনও টিসি নম্বর না থাকলে
৩. ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকা বা ভুল বানানে লেখা
৪. সিকোয়েন্স বা কোনও নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলে
৫. শিশুদের এই মাস্ক ব্যবহারে সম্মতির উল্লেখ থাকলে (এনআইওএসএইচ কখনওই শিশুদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় মাস্কের কথা বলেনি)
৬. ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

মহামারী করোনাভাইরাসকে ঘিরে ত্রিস্তরীয় সার্জিক্যাল মাস্ক পরতেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভালভ রেসপিরেটরবিহীন এন৯৫ মাস্ক পরলে দেখে নিতে হবে তা অনুমোদিত কি না। তবে অবশ্যই সামজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

সুত্রঃআনন্দবাজার পত্রিকা

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button