লাইফস্টাইল

জিমে শরীরচর্চার ক্ষেত্রে সতর্কতা

ঢাকায় জিম ও ফিটনেস সেন্টারগুলো পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, বয়স অনুসারে জিমে ব্যায়ামের ধরনটা আলাদা। যাকে বলা হচ্ছে ‘এলিজিবিলিট অব এক্সারসাইজ’। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের পরিস্থিতি ও চাহিদা আলাদা হয়ে যায়। তাই প্রশিক্ষকের কাছ থেকে স্পষ্ট করে জেনে নিতে হবে, কার জন্য কী ধরনের ব্যায়াম জরুরি।

এ প্রসঙ্গে জিগাতলার ফিটনেস ওয়ার্ল্ড হেলথ ক্লাবের পরামর্শক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সবার জন্য এক ধরনের ব্যায়াম নয়। একজন ব্যক্তির বয়স, ওজন ও শারীরিক সমস্যার ধরন অনুসারে ব্যায়াম নির্দিষ্ট করতে হয়। আর নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা তৈরি এবং তা মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেখা যায়, নতুন গড়ে ওঠা বেশির ভাগ জিমে ভালো মানের প্রশিক্ষক ও পুষ্টিবিদের অভাব আছে। তাই জিম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এই দুটো বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

মু্স্তাফিজুর রহমানের পরামর্শ, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষের তুলনায় অপেক্ষাকৃত খোলামেলা জায়গায় জিম করাটা ভালো। কারণ, ব্যায়াম শুরুর পর শরীরে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে জায়গাটা খোলামেলা হলে সুবিধা। এ ছাড়া জিম শুরু করার অন্তত তিন ঘণ্টা আগে একটা ভালো ডায়েট নেওয়া উচিত। আর ব্যায়ামের ফাঁকে ফাঁকে অল্প অল্প করে পানি খেতে হবে।

এদিকে ঢাকায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা জিমগুলোর মান ও পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন ডায়মন্ড মাল্টি জিমের স্বত্বাধিকারী দিলদার হাসান। তাঁর পর্যবেক্ষণ, বাংলাদেশে জিম গড়ে তোলা থেকে শুরু করে পরিচালনা ও মান নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো দেখভালের জন্য কোনো নীতিমালা কিংবা কর্তৃপক্ষ নেই। তাদের কোনো সংগঠনও নেই। এই সুযোগে অনেকে নামমাত্র প্রশিক্ষক দিয়ে জিম চালান। শরীর গঠনের জন্য কোনো ধরনের বিচার–বিবেচনা না করেই নানা ধরনের প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট খেতে উৎসাহিত করেন, যা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। 

এই অবস্থায় জিমের মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও নজরদারি থাকা উচিত বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


বিজ্ঞাপন

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button
ভাষা নির্বাচন