উপজেলাবগুড়া সদর উপজেলা

আলুতে বাম্পার ফলনের আশা করছে বগুড়ার কৃষকরা

বগুড়া লাইভ ডেস্কঃ বগুড়ায় এক বছরের ব্যবধানে ১০ হাজার হেক্টর কম জমিতে আলু চাষ হলেও বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছে চাষী ও কৃষি বিভাগ। বগুড়ায় যে হারে আলুর আবাদ হয়েছে তাতে কৃষি কর্মকর্তারা আলু উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে সোয়া ১২ লাখ মেট্রিক টন ৷ কিন্তু আলুর বাম্পার ফলন হওয়ার কারণে উৎপাদন সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টনে গিয়ে দাড়াবে বলে আশা করা যাচ্ছে ৷

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২০১৮ মৌসুমে জেলায় আলুর আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৬৫ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে। ফলন ছিল ১৩ লাখ মেট্রিক টন। কিন্তু এবছর চাষের জমি কমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ৫৫ হাজার ৪৫৪ হেক্টর। আর ফলন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৩৮ হাজার মেট্রিক টন।
এখন পর্যন্ত জেলায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে ফলন লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াবে। বগুড়ায় ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় আলুর দাম নিয়ে কৃষকরা খুশি না হতে পারলেও বাজার ব্যবস্থায় আলুর দাম সহনীয় থাকায় ভোক্তারা ছিল নিশ্চিন্ত।

বগুড়া সদর উপজেলার কালিবালা এলাকার আলু চাষীরা জানায়, আলু গাছ বেশ সতেজ রয়েছে। কোল্ড ইনজুরি হয়নি। বেড বাঁধায় করার পর থেকে জমির আলু গাছগুলো লম্বা হয়েছে। ছোট ছোট ডালপালা ছড়িয়েছে। গত বছর ভালো ফলন পেয়েছেন। এবছরও ভালো ফলন পাবেন।

বাজারে দাম না থাকার বিষয়ে তারা বলেন, কৃষকের ঘর থেকে আলু বের হওয়ার পর বাজারে আলুর দাম কিছুটা হলেও বাড়ে। আলু চাষীরা আলুর দাম পেলে আলু চাষে আরও আগ্রহ বাড়বে।

ডিসেম্বরের শেষে আলু উত্তোলন করা হবে। খাওয়ার জন্য আলু জমি থেকে ৬০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে আলু উত্তোলন করতে হয়। আর কোল্ড স্টোরে রাখতে আলু ৯০ থেকে ৯৫ দিনের হতে হয়। জেলার আলু চাষীদের জন্য উন্নতমানের বীজের পাশাপাশি সারের কোন সমস্যা হয়নি। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন এবারো পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button
ভাষা নির্বাচন