বগুড়া সদর উপজেলা

দূর্নীতির অভিযোগ বগুড়া জেলখানায়, বিপাকে অবস্থানরত কয়েদীরা

বগুড়ায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি সত্বেও দূর্নীতি নির্মূল সম্ভব হচ্ছে না। কতিপয় দূর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তির অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে প্রশাসনের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। দূর্নীতির এই কালো থাবা থেকে বাদ পরে না বগুড়া জেলখানায় অবস্থানরত কয়েদীরাও। যেকোন প্রয়োজনে তাদের গুনতে হচ্ছে টাকা।

বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামিনে মুক্তি প্রাপ্ত এক আসামি বলেন, জেলখানার সুবেদার, জামাদার, রাইটার্স ও ফার্মাসিস্ট কেউ দূর্নীতির উর্দ্ধে নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই কর্তা ব্যক্তিদের কাছে গুনতে হচ্ছে ঘুষ। আসামিদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের (কাপড়,খাবার ঔষধ) জন্য রাইটার্স এর কাছে বলতে হয়।কিন্তু তারা তাদের ক্ষমতা বলে ঘুষ দাবী করে। এছাড়াও ঔষধ নিতে গেলও ফার্মাসিষ্ট কে দাবী অনুযায়ী দিতে হয় ঘুষ। জেলখানার সুবেদারকে সমস্যার কথা বললে সমাধানের জন্য তাকেও ঘুষ দিতে হয়। এছাড়াও মেডিকেলের আরামে থাকতে মেডিকেল বেড ভাড়া পাওয়া যায় মাসিক তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে।খাবার থেকে শুরু করে যেকোন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে হয় বাজার মুল্যের থেকে অনেক বেশি দাম দিয়ে।

জেলে অবস্থানরত জনৈক আসামীর ঘনিষ্ঠ আত্বীয় (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আসামিদের সাথে দেখা করতে গেলে গেটের জামাদার কে ঘুষ দিতে হয়। অনেক সময় তারা চা,নাস্তার টাকা দাবি করে। তাদের কে টাকা না দিলে নানা মুখি বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়। অপরাধী শুদ্ধির আবাসস্থল যদি হয় দূর্নীতি আর অপকর্মের অভয়ারণ্য তাহলে অপরাধের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি আর সুষ্ঠ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যেকোন ব্যক্তির অপরাধ দমন করা সম্ভব।

এই বিষয়ে জানতে জেলখানায় কর্ত্বব্যরত রফিকুল ইসলামের সাথে বগুড়া লাইভ থেকে ফোনালাপের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন না রিসিভ করায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বগুড়া লাইভ ডেস্ক

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button