গণমাধ্যম সংক্রান্তপরিবহন

ডেঙ্গু আতঙ্কে বগুড়া থেকে ঢাকাগামী যাত্রীর সংখ্যা কমেছে

ঈদকে সামনে বাসে যাত্রীর সংখ্যা বাড়ার কথা থাকলেও গত এক সপ্তাহে তা প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে বলে বগুড়া-ঢাকাগামী কোচের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি কোচ চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঢাকা যাচ্ছেন না। বিশেষ করে এ সময় ঈদের মালামাল কেনার জন্য এমনকি ঈদের কেনাকাটা করার জন্য অনেকেই এ সময় ঢাকায় যেতেন। এবার ব্যবসায়ীদের যেমন ঢাকায় যাতাযাত কমেছে তেমনি ঈদের কেনাকাটা যারা ঢাকায় করেন তাদেরও ঢাকায় যাওয়া কমেছে।

যাত্রী না থাকায় অনেকটা হাত গুটিয়ে বসে আছেন কোচ কাউন্টারের ম্যানেজার ও পরিবহন শ্রমিকরা। তাদের দাবি, গত সাতদিনে ডেঙ্গুর ভয়ে অন্তত ৭০ শতাংশ যাত্রী কমেছে। বগুড়া থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ হাজার যাত্রী ঢাকা যেতেন। কিন্তু ডেঙ্গু আতঙ্কে এখন গড়ে দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছেন না।

মঙ্গলবার শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় কোচ কাউন্টাওে খোঁজ নিতে গেলে কথা হয় মিরাজ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি গাবতলী উপজলা সদরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। ঢাকায় মামলাল আনতে যাওয়ার জন্য অগ্রিম টিকিট কেটেছিলেন। তিনি টিকিট ফেরত দিতে কাউন্টারে এসেছেন। ঢাকায় ডেঙ্গুর কারণে তিনি যাত্রা বাতিল করেছেন বলে জানান।

শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের কাউন্টারের মাস্টার টি রহমান জানান, সাধারণত বগুড়া থেকে তাদের বাসে ২৪ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৮০০ থেকে এক হাজার যাত্রী ঢাকায় যান। কিন্তু গত সাতদিনে দ্বিগুনেরও বেশি যাত্রী কমেছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ডেঙ্গুে ভয়েই যাত্রীরা ঢাকা যেতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

এসআর ট্রাভেলস কাউন্টারের মাস্টার মোস্তফা কামাল খোকন বলেন, ‘অনেক যাত্রী আগাম টিকিট কিনলেও ডেঙ্গর ভয়ে ফেরত দিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি আমাদের দৈনিক ৫ টা কোচ যাত্রী সঙ্কটে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি।’

শ্যামলী কাউন্টারের ম্যানেজার উত্তম কুমার সাহা বলেন, ঈদের আগে আমাদের এমন ব্যবসা হবে কল্পনা করিনি। কাউন্টারে যাত্রী নেই বললেই চলে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button