বিনোদন

আহসানুল হক মিনু একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং দাপুটে অভিনেতা

বগুড়ার কৃতি সন্তান আহসানুল হক মিনু একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং দাপুটে অভিনেতা

বগুড়ার কৃতি সন্তান আহসানুল হক মিনু একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং দাপুটে অভিনেতা। ১৯৭১ সালে সাত নম্বর সেক্টরে মেজর কাজী নুরুজ্জামানের অধীনে থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ধারাবাহিক নাটকে মিনুকে প্রথম দেখা যায় সালাহউদ্দিন লাভলুর নির্দেশনায় ‘রঙ্গের মানুষ’-এ। চলচ্চিত্রে মিনুর প্রথম দেখা মিলে দীলিপ সোমের ‘শহর থেকে দূরে’-তে। এরপর আবদুল লতিফ বাচ্চুর ‘হাতকড়া’ ও কাজী জহিরের ‘ফুলের মালা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তারপর মঞ্চে কাজের প্রতিই বেশি আগ্রহ থাকায় সিনেমায় আর নিয়মিত সময় দেয়া হয়ে উঠেনি তার। তবে পরে গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রে গণসা চরিত্রে অভিনয় করে বেশ আলোচনায় আসেন মিনু। এরপর তাকে দেখা যায় গৌতম ঘোষের ‘মনের মানুষ’ আবু সাইয়ীদের ‘অপেক্ষা’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপনজাল’, শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘বাঙলা’, নায়করাজ রাজ্জাকের ‘আয়না কাহিনী’, বাপ্পারাজের ‘কাতুর্জ’ চলচ্চিত্রে।

জন্মস্থান বগুড়া শহরের মালতি নগর আপন নিবাস “জাহানারা কুঠির” এ। দাদুর বাড়ি  দিঘলকান্দী তরফদার পাড়া , সারিয়াকান্দী, বগুড়া । আহসানুল হক মিনু বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। কলেজে অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন তখন থেকেই। বলা যায় ছাত্রজীবন থেকেই অভিনয়ের প্রতি অদম্য এক ঝোঁক ছিল তার। যে কারণে দেশ স্বাধীনের পর পড়াশোনার চেয়ে অভিনয়েই তিনি বেশি মনোযোগী হয়ে যায়। বগুড়ায় ‘বগুড়া নাট্যগোষ্ঠী’ এবং ঢাকায় মমতাজ উদ্দীন আহমদের থিয়েটারের কর্মী হয়ে বিভিন্ন মঞ্চ নাটকে কাজ করেন। বগুড়া এবং ঢাকা মিলে ১২শ’ রজনী মঞ্চ পার করেছেন মিনু।

এ পর্যন্ত মিনু ৩০ টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। বর্তমানে  কাজী আমিরুল ইসলাম শোভার পরিচালিত সিনেমা “সেভ লাইফ” এর সুটিং এ ব্যস্ততা পার করছেন তিনি।

আরটিভির লাইভ অনুষ্ঠানে আহসানুল হক মিনু

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button
ভাষা নির্বাচন