বিনোদন

ভাই স্বপ্ন দেখান সহজ বাস্তব করা কঠিন : হিরো আলম

বড় বড় নায়ক নায়িকারাও তো মনোনয়ন তুলছে তাকোরক লিয়ে তো ইঙ্কা মাতামাতি করেন না? হামাক লিয়ে কে?

হামার বাপের টেকা পসা,জমিজমা কিছুই আছিলনা তাই হামি লেকাপড়া করবার পারিনি  তাই আজ হামি শুদ্ধ ভাষায় কতাও কতে পারিনা। আর লোকে হামাক লিয়ে মজা করে যদি হামার বাবার টাকা থাকত তাহলে আমি ও পড়া লেখা করতাম হামি এতো বড় হিরো হতে চাই নি। মিডিয়া হামাক বানাছে তাই মিডিয়ার কাছে অনুরোধ মিথ্যা বানোয়াদ অপবাদ দিয়ে হামাক লিচে নামাবেন না। বড় বড় নায়ক নায়িকারাও তো মনোনয়ন তুলছে তাকোরক লিয়ে তো ইঙ্কা মাতামাতি করেন না? হামাক লিয়ে কে? দেকেন ভোট করার অধিকার সবারই আছে।  ভাই স্বপ্ন দেকান সহজ বাস্তব করা কঠিন।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সময় টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে হিরো আলম জানাচ্ছিলেন তার এই কথা।

এদিকে সাবেক পুলিশ সুপার বগুড়া ও  রংপুর  র‍্যাব ১৩ অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোজাম্মেল হক, বিপিএ পিপিএম তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে হিরো আলম কে নিয়ে বার্তা লিখেছেনঃ

হিরো আলমের স্বল্প হাইট, খর্বাকৃতি এবং গাত্র বর্ন অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে।  তবে মনে রাখা উচিত অনেক সংগ্রাম করে প্রতিবন্ধকতা জয় করে তিনি আজ জীবিকা অর্জনের একটি পথ খুঁজে পেয়েছেন। স্বাবলম্বী হয়েছেন। তিনি
অনেকের মত অসৎ পথে ধন সম্পদের মালিক কিংবা অসৎ নেতা হননি। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ানোর অধিকার আছে। ভোট দেয়া না দেয়া ভোটারদের নিজস্ব পছন্দ। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার পদে নির্বাচন করে ফেল করেছেন। এখন কি তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিততে  পারবেন?? তাঁর আসলেই এলাকায় জনপ্রতিনিধি হওয়ার মত তেমন কোন জনপ্রিয়তা নাই। এই যৌক্তিক প্রস্নে সমালোচনা করা যেতে পারে।  তার এলাকায় জনগনের সাপোর্ট নাই মর্মে সমালোচনা করলে আমি ফেসবুকে হিরো আলম সম্পর্কে কিছুই লিখতামনা। কিন্তু কিছু মানুষ তার পেশা ও বেঁটে
শারিরীক আকৃতি এবং কালো চেহারা নিয়ে খারাপ অগ্রহণযোগ্য মন্তব্য করেছেন। মহান আল্লাহ প্রদত্ত শারীরিক আকৃতি নিয়ে সমালোচনা করা গর্হিত কাজ। নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র কেনাকে কেন্দ্র করে তাকে নিয়ে ফেসবুকে ট্রল করা কিংবা ক্যারিক্যাচার
করা এক ধরনের বর্ণবাদী আচরন এবং তা অত্যন্ত নিন্দনিয়। আসুন মানুষকে ভালবাসতে শিখি। তাকে বেঁটে, কাল কুৎসিত বলে নাক শিটকানো তার গুরুতর মানবাধিকার লংঘন। আসুন সমাজের সকল মানুষের পেশাকে সন্মান করি। আমি সরকারী কর্মচারী। আমি কোন মতেই নির্বাচনে হিরো আলম বা অন্য কারো সাপোর্টার নই। তবে মানুষের বিভেদ বা বর্ণবাদ আমার পছন্দ নয় বলেই আমার এই লেখা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা অনেক আগেই জানিয়েছিলেন অভিনেতা হিরো আলম। নির্বাচনে ‘লাঙ্গল’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ‘হিরো আলম’ খ্যাত আশরাফুল হোসেন আলম। বগুড়া-৪ আসনের বিপরীতে তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য সোমবার বিকেলে জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন তিনি। পরে সংবাদ মাধ্যমকে এমনটিই জানিয়েছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, জাপা কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছি। জাপার কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও প্রেসিডিয়াম সদস্য আমার হাতে ফরম তুলে দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজে গরিব, আমি গরিবের কষ্ট বুঝি। মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা করি সব সময়। নিজের জনপ্রিয়তা দিয়েই এমপি হতে চাই। আমার গর্ব আমি বগুড়ার সন্তান। তাই বগুড়া নিয়েই আমার স্বপ্ন বেশি। আমি এলাকার মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।

হিরো আলম বলেন, আমি আগে থেকেই একটু বেশি সাহসী তা তো আপনারা জানেনই। আমার জীবনে ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই। ইনশাল্লাহ এখানেও আমি আশাবাদী।

বগুড়া-৪ আসনে জাপা প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button
ভাষা নির্বাচন