শেরপুর উপজেলা

শেরপুর জমিদার বাড়ি, বগুড়া জেলার একটি পর্যটন কেন্দ্র

শেরপুর জমিদার বাড়ি, একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বগুড়া জেলার অধীন শেরপুর উপজেলার ৯ নং সীমাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত। জমিদার বাড়িটি শেরপুর উপজেলা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সীমাবাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত।

বিজ্ঞাপন

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বগুড়া কিভাবে যাবেন ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি সিএনজি, বাস অথবা মোটর সাইকেল নিয়ে সেখানে পৌছাতে পারেন। শেরপুর উপজেলার দিক নির্দেশনা পেতে এখানে ক্লিক করুন http://bit.ly/1g3IwMk

বিজ্ঞাপন

বগুড়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর। রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলায় এই শহরটি অবস্থিত। ঢাকা থেকে প্রায় ২২৯ কিলোমিটার দূরে বগুড়া অবস্থিত। আপনি সেখানে বাস এবং ট্রেনে পৌছাতে পারেন।

রাস্তা যোগেঃ

১। টি আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭টা থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৫, মহাখালি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৬
২। শ্যামলী পরিবহনঃ সকাল ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১:০০ টা পর্যন্ত প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ আসাদ গেইট-০২-৯১২৩৪৭১, কলাবাগান-০১৭১১১৩০৮৬২, সায়েদাবাদ-০১৭১২৫৯৬৯৪০
৩। এস আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০২-৮০১১২২৬, উত্তরা-০১৫৫২৩১৫৩১৮
৪। হানিফ এন্টারপ্রাইজঃ ঢাকা বাস স্ট্যান্ড, ফোনঃ ০৫১-৬০৯৪০, ৬০৮০৩, ০১৯১১-৫৬০৮৮২

কোথায় থাকবেন

বগুড়ায় থাকার ব্যাবস্থা বেশ উন্নত। আপনি এখানে চার তারকা হোটেলও পেয়ে যাবেন। বগুড়ায় উন্নত মানের থাকার জায়গার মধ্যে আছেঃ

১। হোটেল নাজ গার্ডেন,
ঠিকানাঃ সিলিমপুর, বগুড়া-৫৮০০, বাংলাদেশ
ফোনঃ ৮৮-০৫১-৬২৪৬৮, ৬৬৬৫৫, ৬৩২৭২, ৬৪১৯৭, ৭৮০৮৮

২। পর্যটন মোটেল
বনানী মোড়, বগুড়া, ফোনঃ০৫১-৬৬৭৫৩

৩। আকবরিয়া হোটেল
ওয়েব সাইটঃ http://urbita.com/bangladesh/bogra/akboria-hotel
ঠিকানাঃ কাজী নজরুল ইসলাম রোড, থানারোড, বগুড়া, ফোনঃ ০১৭১৬-১৭৯৯৮২

বগুড়া শহরের আরও কিছু হোটেলের নাম:
১। হোটেল আল আমিন, নবাববাড়ি রোড
২। মোটেল নর্থ ওয়ে, শেরপুর রোড
৩। হোটেল রয়াল প্যালেস, উপশহর
৪। হোটেল সান ভিউ,শেরপুর রোড
৫। হোটেল সেফওয়ে, শান্তাহার মোড়
৬। হোটেল রাজমনি, বগুড়া রাজা বাজার
১০। হোটেল হানি ডে, বড় মসজিদ লেইন
১১। হোটেল আজিজ, কবি নজরুল ইসলাম রোড

কি করবেন

১। জমিদার বাড়ির ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারেন।
২। আশেপাশের জায়গার ছবি তুলতে পারেন।

খাবার সুবিধা

আপনাকে কাছাকাছি খাবারের দোকান এবং রেস্টুরেন্ট খুঁজে নিতে হবে।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button