ধুনট উপজেলা

বগুড়ার ধুনটে রক্তচোষা জোঁকের উপদ্রপ, আতঙ্কে গ্রামবাসি

ফসলের মাঠ, ঘাসের জমি, সবজি কিংবা ফুল ও ফলের বাগানে জেঁকে বসেছে রক্তচোষা জোঁক। আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। রেহাই পাচ্ছে না গবাদি পশুও

ভয়াবহ এমন চিত্র বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের শ্যামগাতি গ্রামে। জানা যায়, কৃষি প্রধান এই গ্রামে নানা জাতের ফসলের চাষ হয়। আগে বর্ষাকালে ফসলের জমি, ঝোঁপঝাড়ে কদাচিৎ জোঁকের দেখা মিলত। কিন্তু এ বছরের চিত্র ভিন্ন। এক মাস ধরে হঠাৎ করেই এই গ্রামে নেপিয়ার ঘাষ কিংবা ফসলের জমি, সবজি, ফুল-ফলের বাগানে ও বাড়িঘরে জোঁকের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ফসলের মাঠ, ঘাসের জমি, সবজি কিংবা ফুল ও ফলের বাগানে জেঁকে বসেছে রক্তচোষা জোঁক। আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। রেহাই পাচ্ছে না গবাদি পশুও। ফলে জমিচাষ, ফসল তোলা এখন চাষিদের জন্য ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জোঁক বাড়িঘরে ঢুকে পড়ায় আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে অনেকেই। জোঁকের উপদ্রপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামবাসির স্বাভাবিক জীবনযাপন।

বিজ্ঞাপন

এই গ্রামের প্রচুর পরিমান জমিতে গো-খাদ্যের জন্য নেপিয়ার ঘাস চাষ করা হয়েছে। সেই ঘাসের জমি থেকেই জোঁকের বিস্তার ঘটছে। এখানকার জোঁকগুলো লম্বায় প্রায় তিন চার সেন্টিমিটার। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জোঁক সাধারণত বিলে, জলমগ্ন ক্ষেতে, নদী, পুকুর ও জলস্রোতের আশপাশে আর্দ্র ও ছায়াময় স্থানে থাকতে পছন্দ করে। বর্ষাকালে জোঁকের উপদ্রব বাড়ে। জোঁক মাটি ছাড়াও গাছে, গাছের ডালে-পাতায় থাকতে পারে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘদিন এলাকায় বন্যা না হলে চিনা জাতের জোঁকের প্রাদূর্ভাব বাড়তে পারে। জোঁক এক ধরনের রক্তচোষা প্রাণী। এরা মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণীর দেহ থেকে রক্ত গ্রহণ করে। মাঝেমধ্যে সতর্কতার অভাবে মানুষের শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে রক্তক্ষরণ ঘটায়। তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button