পরিবহন

বগুড়ায় ভাঙা সড়কপথে দুর্ভোগের ঈদযাত্রা

বগুড়ায় ভাঙা সড়কে কষ্টের যাত্রা

ঢাকা থেকে বগুড়ার সড়ক পথে দূরত্ব ১৯০ কিলোমিটার। স্বাভাবিক গতি হলেও এ পথ পেরুতে সময় লাগে পাঁচ ঘণ্টা। অথচ এখন সেই সময় ঠেকেছে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টায়।

বিজ্ঞাপন

এ পথে চলাচলকারী এক বাস চালক জানান, সময় বেশি লাগার একমাত্র কারণ সড়কে বড় বড় গর্ত, ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ও যত্রতত্র হাটবাজার বসা। এছাড়া বৃষ্টির পর এখন সড়কের যে অবস্থা, তাতে আসন্ন ঈদুল আজহার সময় পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ। আর বৃষ্টি হলে তো রক্ষা নেই। কারণ এ অঞ্চল থেকে বেশির ভাগ গরুবাহী ট্রাকগুলো রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে যাবে।

বিজ্ঞাপন

উত্তরবঙ্গ মহাসড়কে বগুড়ার ৭৪ কিলোমিটার অংশে মূলত খানাখন্দ, সেতু সংস্কার, চার লেনের চলমান কাজের পাশাপাশি দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনার কারণেই যাত্রীদের বেশি দুর্ভোগ হচ্ছে। অনেক স্থানে ভাঙা সড়কের পাশে আবার চারলেনের জন্য গাছ কাটা হচ্ছে। ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ জেলার অংশে প্রতিদিনই কম বেশি যানজট থাকছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পার হবার পর থেকেই মূলত দুর্ভোগের শুরু। ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ জেলার আওতায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পার থেকে বগুড়া জেলার সীমান্তবর্তী চান্দাইকোনা পর্যন্ত ৩৯ কিলোমিটার সড়কটির বেশির ভাগ এলাকায় অসংখ্য খানাখন্দ। বিশেষ করে হাটিকুমরুল থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলছে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার গতিতে। এর আগে নলকা ও রয়াহাটি সেতু দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখনও সেতু দুটি মেরামত করা হচ্ছে। হাটিকুমরুল গোলচত্বরের পূর্ব দিকে ধোপাকান্দি সেতু পর্যন্ত ৪০০ মিটার এবং গোলচত্বর থেকে চান্দাইকোনা পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় মেরামত কাজ করা হলেও টেকেনি। এক সপ্তাহ না যেতেই সংস্কার কাজেই সবটাই উঠে গেছে।

চান্দাইকোনা থেকে ভূইয়াগাতী পর্যন্ত নয় কিলোমিটার অংশের খানাখন্দে কার্পেটিং করে মেরামত করা হয়। বাকি ৮ কিলোমিটার সড়কের হাটিকুমরুল, করমজা, সাহেবগঞ্জ, দাদপুর, ঘুরকা বেলতলা এলাকার বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং তুলে ফেলে ইট বিছানার কাজ হচ্ছে। মহাসড়কের ধোপাকান্দি এলাকায় হাজী পেট্রোল পাম্প থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত এখন ভাঙা সড়কে চলাচল করাই দায়। এ ছাড়া বগুড়ার শেরপুর, নয়মাইল, শাজাহানপুর ও মোকামতলা অংশেও নানা স্থানে সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে দিন দিন দুর্ঘটনা বেড়েই চলছে।

 

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button