ধুনট উপজেলা

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে অনামিকা খাতুন নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রতারক প্রেমিকের ধর্ষণের শিকার হয়ে অনামিকা খাতুন (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যার ৫দিন পর মামলা দায়ের হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালের মেয়েটির বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রেমিকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে বগুড়া আদালতে মামলা দায়ের করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবি খোদা বক্স তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে অনামিকা। সে ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অনামিকাকে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে একই এলাকার হোসেনপুর গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে রোকন উদ্দিন। সে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স (বাংলা) প্রথম বর্ষের ছাত্র। প্রায় দুই বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক।

গত সোমবার সকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্যেশে বাড়ি থেকে বের অনামিকা। দুপুরের দিকে রোকন উদ্দিন তার ভগ্নিপতি হোসেনপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়িতে অনামিকাকে নিয়ে যায়। সেখানে বিয়ের প্রলোভনে অনামিকাকে ধর্ষণ করে রোকন উদ্দিন। এরপর রোকনকে বিয়ের কথা বলে অনামিকা কিন্ত বিয়ের প্রস্তাব অস্বীকার করে অনামিকাকে বাড়ি ফিরে যেতে বলে রোকন। নিরুপায় হয়ে অনামিকা বিয়ের দাবিতে রোকনের বাড়িতে উঠে। এ বিষয়টি জেনে রোকনের পরিবারের লোকজন অনামিকাকে মানষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। সন্ধা ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে অনামিকা বিষপানে আত্মহত্যা করে।

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ মঙ্গলবার অনামিকার মৃতুদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু (ইউডি) মামলা রেকর্ড হয়েছে।ঘটনার পর থেকে মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছে।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মোঃ এরফান বলেন, স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় বগুড়া আদালতে দায়ের করা মামলার নথিপত্র থানায় আসেনি। মামলার আরজি হাতে পাওয়ার পর আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের অন্য খবর

Back to top button