বগুড়ার ইতিহাস

বগুড়া জেলায় রেলপথ স্থাপনের ইতিকথা

বগুড়া জেলায় রেলপথ স্থাপনের ইতিকথা

বগুড়া লাইভ: ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে বগুড়া জেলা প্রতিষ্ঠিত হলেও রাজধানী সহ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোর সংগে যাতায়াতের জন্য সড়ক ও জলপথ মাধ্যম ছিল। যা ছিল অনেক ব্যয় এবং সময় সাপেক্ষ।

তৎকালীন সময়ে বগুড়া জেলার কালেক্টর মি. কেরীর নিকট বগুড়া জেলার একমাত্র নবাব মরহুম সৈয়দ আব্দুস সুবাহান চৌধুরী কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে সান্তাহার হতে বগুড়া শহরের মধ্য দিয়ে বোনার পাড়া পর্যন্ত রেলপথ স্থাপিত হয়। এই রেলপথ স্থাপনে মরহুম সৈয়দ আব্দুস সুবাহান চৌধুরী রেল-কোম্পানিকে নিজেস্ব বহু একর জমি দান করেন। তৎকালীন সময়ের বগুড়া জেলার কালেক্টর মিঃ কেরীর সহযোগীতায় বগুড়া জেলায় রেলপথ স্থাপিত হয়। এখানে উল্লেখ্য যে বগুড়া জেলার কালেক্টর মি. কেরীর প্রচেষ্টায় বগুড়া জেলায় বৃহৎ বৃহৎ রাস্তা সৃষ্ঠি হয় এবং রাস্তাগুলির উভয় পাশে বিবিধ তরুরাজি রোপন করা হয়।

বগুড়ায় রেল লাইন প্রতিস্থাপনের পর কয়লা চালিত ইঞ্জিন এবং খুব কম সংখ্যক কামড়া সংযুক্ত করে রেল যোগাযোগ চালু করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, রেলপথে যোগযোগ ব্যয়বহুল হওয়ায়, খুব কম সংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করত। এতে ব্রিটিশরা টিকিট প্রচলনের মাধ্যমে যাত্রীসেবা প্রদান করে। মেইল ও লোকাল নামক দুই শ্রেণীর ট্রেন যাত্রীসেবা প্রদান করত। তাছাড়া পন্য বহনের জন্য মাল ট্রেন যাতায়াত করত।

অবিভক্ত পাকিস্তানের একই ধরনের জ্বালানী এবং ইঞ্জিন ব্যবহার করতঃ ইহাতে আরও কয়েকটি কামড়া যুক্ত হয়। তৎকালীন সময়ে ট্রেনে নারীদের আলাদা কামড়া সংরক্ষিত ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন চালু করা হয়।

তথ্য সংগ্রহে: গোলাম জাকারিয়া কনক।

বগুড়া সম্পর্কে জানতে এবং প্রত্যেক মুহূর্তের খোঁজখবর রাখতে চোখ রাখুন বগুড়া লাইভের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে…

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button