স্বাস্থ্য

বগুড়ায় টিবি ক্লিনিক ও হাসপাতালের দূরত্ব অনেক হওয়ায় রোগীর ভোগান্তি

বগুড়ায় যক্ষ্মা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয় ষাটের দশকে। এর পরই স্থাপিত হয় যক্ষ্মা ক্লিনিক। একই সেবার প্রতিষ্ঠান অনেক দূরত্বে দুই জায়গায় হওয়ায় রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। শহরের উত্তরে ঠনঠনিয়া জিন এক্সপার্ট যন্ত্রে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রোগী ভর্তি করার অনুমতি পত্র দেয়া হয়। এই পত্র দিয়ে রোগীকে যেতে হয় ৫ কিলোমিটার দূরে উপশহরের ২০ শয্যার হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা কার্যক্রমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ও রিপোর্ট দেখাতে ফের ছুটতে হয় ঠনঠনিয়ায়। রোগী সেরে যাওয়ার পর তা ছাড়পত্র নিতে হয় ক্লিনিক থেকে। যক্ষ্মা বা বক্ষ্যব্যাধি ক্লিনিক ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বে আছেন কনসালটেন্ট। যক্ষ্মা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় আছেন দুইজন মেডিক্যাল অফিসার। যার একজন বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। প্রতি মাসে গড়ে অন্তত ৪শ’ জটিল রোগী কাশি পরীক্ষার জন্য ক্লিনিকে আসে। বগুড়া ছাড়াও রোগী আসে নাটোর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জ থেকে। জটিল রোগী ভর্তি করতে হয়। গত বছর (২০১৭) ক্লিনিকে ৫৩ হাজার ৪শ’১৩ যক্ষ্মা সন্দেহের রোগীকে পরীক্ষার পর ৫ হাজার ৭শ’৬৫ জন যক্ষ্মা রোগী ধরা পরে। এর মধ্যে ১শ’২৯ জন যক্ষ্মা সেরে যাওয়ার পর পুনরায় আক্রান্ত। তার আগের বছর ২০১৬ সালে ৫২ হাজার ৭শ’৯২ জন যক্ষ্মা সন্দেহের রোগীকে পরীক্ষা করে ৫ হাজার ২শ’ জন যক্ষ্মা রোগী ধরা পড়ে। এর মধ্যে ১শ’৪ জন পুনরাক্রান্ত।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button