বগুড়ায় থাকা

নানান সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো

নানা সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালগুলো যেন নিজেই রুগ্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট সব উপজেলাতেই। কোনো কোনো উপজেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই নেই। মেডিক‌্যাল অফিসার দিয়েই চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অধিকাংশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি। অপারেশন থিয়েটারের অভাবে বাড়ির কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও রোগীদের যেতে হয় বগুড়া শহরের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোতে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে দুর্ভোগে আছেন বগুড়ার সব উপজেলার মানুষ।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় ১১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে। এর মধ্যে শাজাহানপুর, শেরপুর আর নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা বিশিষ্ট। বাকি আট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যার। শাজাহানপুর ও নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট সবখানেই। উপজেলাগুলোর মধ্যে নন্দীগ্রাম, ধুনট ও সোনাতলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই নেই। বাকি আট উপজেলার অধিকাংশ স্বাস্থ‌্য কমপ্লেক্সে একজন করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন।

উপজেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নন্দীগ্রাম সদর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বিজরুল গ্রামে অবস্থিত। এটি স্থাপিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে। হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করতে নতুন একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ হাসপাতালটি উপজেলা সদর থেকে অনেক দূরে হওয়ায় ভাটগ্রাম ও আশপাশের গ্রামের লোকজন ছাড়া সেখানে কেউ যান না। সদর এবং এর আশপাশের এলাকার রোগীরা নন্দীগ্রামের ২০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতালের আউটডোরে সেবা নিয়ে থাকেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button
error: Content is protected !!