আন্তর্জাতিক খবর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি

আমেরিকার রাজ্যগুলির জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়ে থাকে এই ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা। যে রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, তার ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যাও বেশি। আমেরিকায় মোট ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ৫৩৮। জিততে গেলে ২৭০টি বা তার বেশি ইলেকটোরাল ভোট পেতে হবে। প্রতিটি রাজ্যে বরাদ্দকৃত ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা সেই রাজ্যে জনপ্রতিনিধি ও সেনেটরের সংখ্যার সমান থাকে। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি ৫৫টি ইলেকটোরাল কলেজ। ইলেকটোরাল কলেজকে মনোনীত করা কোনও নির্দিষ্ট প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অর্থ হল তাঁর দলের ইলেকটোরাল কলেজকে মনোনীত করা। পরবর্তীতে সেই ইলেকটোরাল কলেজ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন জনগণের পছন্দের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে। যে প্রার্থী একটি রাজ্যে অধিকাংশ ইলেকটোরাল কলেজ পাবেন তিনি ওই রাজ্যের সবগুলো ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাবেন। যেমন, টেক্সাসে ৩৪ টি ইলেকটোরাল কলেজ রয়েছে। ধরা যাক ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি আসন্ন নির্বাচনে তার মধ্যে ১৮টি পেল, তাহলে পুরো ৩৪টি কলেজ ভোটই ট্রাম্পের নামে যাবে। এভাবেই আমেরিকার এক একটি রাজ্য এক একটি দল পেয়ে যায়। এবং মোট ইলেকটোরাল সংখ্যা যোগ করে জিততে গেলে ২৭০ বা তার বেশি ইলেকটোরাল ভোট পেতে হয় জিততে গেলে।

কীভাবে নির্বাচনের প্রচার হয় আমেরিকায় ?

ভারতের মতো আমেরিকায় যে কোনও নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন পার্টির বড় বড় র‍্যালি বেরোতে দেখা যায় না ৷ টিভিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক দুই দলের প্রার্থীরা বিভিন্ন ডিবেট বা বিতর্ক সভায় অংশ নেন ৷ সেখানেই নিজের পার্টির কাজকর্ম এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তাঁরা ৷ এরপর নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার নির্বাচনের আয়োজন করা হয় ৷ যেটা এ বছর পড়েছে ৩ নভেম্বর ৷ আমেরিকার নাগরিকরা ইলেকটোরাল কলেজের মনোনীত প্রার্থীদের জন্য ভোট দেন ৷ একই দিনে আমেরিকায় গোটা দেশজুড়ে নির্বাচনের আয়োজন করা হয় ৷ নির্বাচন হয় প্রেসিডেন্ট, সাংসদ এবং গভর্নরের পদগুলির জন্য ৷

সম্পর্কিত পোস্ট

Back to top button
error: Content is protected !!