অভিজাত এলাকার হোটেল

বন্ধ কমিউনিটি সেন্টার গুলো চালু হচ্ছে, সীমিত আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিয়ে

সারা বিশ্বে করোনা মহামারীর প্রকোপ চলছে,বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী ধরা পড়ে গত ৮ মার্চ। শুরু হয় লকডাউন সহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ। দেশে করোনা সংক্রমণের পাঁচ মাস পার হয়েছে শিথিল হয়েছে লকডাউন এর মধ্যে চালু হয়েছে সকল কাজ, সে ধারাবাহিকতায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত আকারে চালু হলেও আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।


করোনাকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর খোলা হয়েছে কমিউনিটি সেন্টার সহ বিভিন্ন তারকা হোটেল এর হলরুম।বর্তমানে সীমিত অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টার এ। অনান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মতো ওই কয়েক মাসে যারা বিয়ের আয়োজন সারবেন বলে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন তারা বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন। কেউবা আবার ঘরোয়া পরিবেশেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন। লকডাউনের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বিয়ে আয়োজনের মধ্যে ছিল বিধিনিষেধ।

তবে লকডাউন তুলে দেওয়ার পর আবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত আকারে চালু হলেও বর্তমানে তা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন পাঁচ তারকা হোটেলের বলরুম, কমিউনিটি সেন্টার ও রেস্টুরেন্টে অল্প অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এবার কোরবানির ঈদের পর বা চলতি আগস্ট মাস থেকেই বিয়ে অনুষ্ঠানের হার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়। যাদের ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন করার ইচ্ছা আছে তারা এখন শুধু আকদ অনুষ্ঠান সেরে রাখছেন। কেউ কেউ আবার প্রযুক্তিকে বিকল্প মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। ভিডিওকলের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানোর বিশেষ মুহূর্তে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বর-কনের প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছেন অনেকে। বর্তমাননে পরিমাণে সামান্য হলেও অল্প অল্প করে কাজ পাচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো।

ঢাকার বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টার ও তারকা হোটেল সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায় মহামারীতে কয়েক মাস অনেকেই বিয়ের অনুষ্ঠান বাতিল করেন। কিন্তু পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আগামী মাস থেকে আবারও বিয়ের বুকিং নিতে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত এ কাজ করছে তারা।)

Close