আদমদিঘী উপজেলা

বর গেল জেলে, কনের বাবার অর্থদণ্ড

বগুড়ার আদমদীঘিতে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর (১৬) বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ।

বিয়ে বন্ধ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর অন্তর চৌধুরীকে (১৯) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও কনের পিতা সাহির প্রামানিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

পাশাপাশি বাল্যবিয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না-রাখতে ওই ওয়ার্ডের মেম্বার আলী মর্তুজাকে প্রথমবারের জন্য সতর্ক করে দেন। ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের চকসাবাজ গ্রামে। সে উথরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মেম্বারের উপস্থিতিতে ওই ছাত্রীর বাড়িতে বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছে- এমন গোপন সংবাদ পেয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১২টায় চকসাবাজ গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেন এবং ওই রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে বরকে এক মাসের কারাদণ্ড ও কনের পিতাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এসময় তিনি ওই ছাত্রীকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার নির্দেশ দেন। বর ওই এলাকার পশ্চিম সিংড়া পাড়ার আকরাম চৌধুরীর ছেলে।

মেম্বার আলী মর্তুজা বলেন, ওই এলাকার জনপ্রতিনিধি হওয়ায় কেউ বিয়ের দাওয়াত দিলে সেখানে তাকে যেতে হয়। তবে তিনি বাল্যবিয়েতে সহযোগিতার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

Back to top button